হাওড়া : দীর্ঘদিন ধরে ময়লা-আবর্জনা ফেলায় পুকুর কার্যত ভরাট হয়ে আবর্জনা স্তূপের চেহারা নিয়েছে।আর তার জেরেই চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে গ্রামীণ হাওড়ার আমতা বাসস্ট্যান্ড লাগোয়া দক্ষিণপাড়া যাওয়ার রাস্তায়।সূত্রের খবর,আমতা বাসস্ট্যান্ডের অদূরেই একটি পুকুরে দীর্ঘদিন ধরে আবর্জনা ফেলছেন স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী।পুকুরে বিভিন্ন প্লাস্টিক,বর্জ্যের পাশাপাশি ফেলা হচ্ছে থার্মোকল,আনাজের খোসা সহ বিভিন্ন আবর্জনা।

আবর্জনার স্তূপ থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে,সৃষ্টি হচ্ছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ।আর তার জেরেই সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন স্থানীয় মানুষ থেকে পথচলতি মানুষ।অন্যদিকে,পরিবেশও দূষিত হচ্ছে।জঞ্জালের স্তূপে বুজছে পুকুর।স্থানীয়দের অভিযোগ,তাঁরা বেশ কিছুদিন ধরে এই সমস্যার সম্মুখীন।এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে লিখিত জানানো হলেও কোনো সুরাহা মেলেনি বলে তাঁদের অভিযোগ।বাঁচুক পুকুর,বাঁচুক পরিবেশ।তাই স্থানীয়দের দাবি,জঞ্জালপূর্ণ পুকুরকে তার আগের চেহারায় ফিরিয়ে দিতে যথাযথ পদক্ষেপ নিক স্থানীয় প্রশাসন।

মঙ্গলবার থেকে রাজ্য জুড়ে ডেঙ্গু মোকাবিলায় ‘ডেঙ্গু বিজয়’ অভিযান শুরু হয়েছে। কলকাতা পুরনিগম সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী তিন মাস ধরে প্রতি ১৫ দিন অন্তর লাগাতার এই কর্মসূচি রাজ্যজুড়ে চলবে। এর আগে পুর নগর উন্নয়ন দপ্তরের পক্ষ থেকে চিঠি দিয়ে সমস্ত পুরসভাগুলিকে এই কর্মসূচি গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই মতই এদিন বেশিরভাগ পুরসভাতেই কর্ডিনেটর বা কাউন্সিলররা ডেঙ্গু বিজয় অভিযান কর্মসূচি গ্রহণ করে। বাকিরা নিজস্ব সূচি অনুযায়ী এই কর্মসূচি পালন করবে।

এদিন দক্ষিণ কলকাতার ৮২ নম্বর ওয়ার্ডে ফিরহাদ হাকিম পুরসভার স্বাস্থ্য ও জঞ্জাল সাফাই বিভাগকে সঙ্গে নিয়ে এলাকা ঘুরে জঞ্জাল সাফাই, মশার লার্ভা নিধন করেন। এর পাশাপাশি ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মানুষের কি করনীয় ও কিভাবে সচেতন থাকবেন সেই সম্পর্কিত লিফলেটও নাগরিকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। এদিন সকালে পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী ডেঙ্গু বিজয় অভিযানে বেড়িয়ে কোথাও কোথাও নিজের হাতেও ময়লা পরিস্কার করেন।

দক্ষিণ কলকাতায় ‘ডেঙ্গু বিজয়’ কর্মসূচির শুভ সূচনা করে ফিরহাদ হাকিম বলেছিলেন, ‘একটু সচেতন হলেই ডেঙ্গুকে রুখে দিতে পারা যায়। খেয়াল রাখতে হবে বাড়ির আশেপাশে কোথাও জল, নোংরা আবর্জনা যেন না জমে থাকে। তাহলেই দ্রুত পরিষ্কার করতে হবে। নইলে ওই নোংরা আবর্জনা জমা জলের মধ্যে জন্ম নিতে পারে ডেঙ্গুর লার্ভা। যার এক কামড়ে ডেঙ্গু হয়ে মানুষ মারা যেতে পারে। তাই নিজেদের সচেতন করে তুলতে হবে।’

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।