কল্যাণী: ডিসট্যান্স এডুকেশন বিভাগে অনুমোদনের জন্য অনলাইনে আবেদনই করতে পারল না কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়।এরফলে স্নাতকোত্তর কোর্সে পার্ট ওয়ান ও পার্ট টু মিলিয়ে প্রায় ১৬ হাজার ছাত্রছাত্রীর ভবিষ্যত অনিশ্চিত হয়ে পরল৷

গত প্রায় দশ বছর ধরে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিসট্যান্স এডুকেশন বিভাগ চলছে। এই বিভাগে বাংলা, ইতিহাস, এডুকেশন এবং ইংরেজি পড়ানো হয়। এতদিন ডিসট্যান্স এডুকেশন কাউন্সিলের মাধ্যমে এই বিভাগের অনুমোদন নেওয়া হত। চলতি বছরেই এই বিভাগ ইউজিসির অন্তর্ভুক্ত হয়।

গত ৩১ অক্টোবর ইউজিসির পক্ষ থেকে অনলাইনে আবেদন করার শেষ দিন ধার্য করা হয়েছিল। কিন্তু, বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিষয়ের অনুমোদন চেয়ে কোনও আবেদন করা হয়নি।

এদিকে, অনুমোদন না থাকলে কী করে ডিসট্যান্স এডুকেশন বিভাগে ভরতি হওয়া ছাত্রছাত্রীরা পড়াশুনা করবেন, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সময়সীমা বাড়ানোর পরও কী কারণে অনুমোদনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আবেদন করা হল না, সেই বিষয়ে কর্তৃপক্ষ মুখ খুলতে রাজি হননি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.