নিউইয়র্ক: দুদিনের বিশেষ অধিবেশনে করোনা নিয়ে কথা বলবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। রাষ্ট্রসংঘের এই উদ্যোগে সামিল ভারতও। বর্তমান করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশ কে কিভাবে তার মোকাবিলা করে চলেছে, সেই নিয়ে আলোচনায় যোগ দেবে ভারত।

ভারতের হয়ে বক্তব্য রাখবেন বিদেশ সচিব (ওয়েস্ট) বিকাশ স্বরূপ। ১০০ জন নেতার সামনে দেশের পরিস্থিতি তুলে ধরবেন তিনি। রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় বৃহস্পতিবারই বক্তব্য রাখতে চলেছেন বিকাশ স্বরূপ। বৃহস্পতি ও শুক্রবার- দুদিন ধরে বৈঠক চলবে বলে খবর।

রাষ্ট্রসংঘের বৈঠকে উপস্থিত থাকতে চলেছে ফরাসী প্রেসিডেন্ট এমান্যুয়েল মাঁক্রো, জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মর্কেল, ব্রিটিশ প্রাইম মিনিস্টার বরিস জনসন, জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সাইরিল রামাপোসা, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রধান চার্লস মাইকেল।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে বৈঠকে যোগ দেবেন স্বাস্থ্যসচিব অ্যালেক্স আজার। এই বৈঠকের পৌরহিত্য করবেন রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভার প্রেসিডেন্ট তুরস্কের কূটনীতিক ভলকান বোঝকির। রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভার পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে বিশ্ব জুড়ে ১.৫ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু, ৬২ মিলিয়ন আক্রান্ত করোনায়। অর্থনীতি বিধ্বস্ত। সব মিলিয়ে করোনা পরিস্থিতি মোটেও আশা যোগাচ্ছে না। এই অবস্থায় বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতারা বক্তব্য রাখবেন।

এই বৈঠকে বক্তব্য রাখবেন সেরাম ইনস্টিটিউটের সিইও আদর পুনাওয়ালা। বৃহস্পতিবার বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতারা বক্তব্য রাখার পর, শুক্রবার গবেষক ও করোনা বিষয়ক বিশেষজ্ঞদের নিয়ে আলোচনামূলক সভা রাখার কথা রয়েছে। সেখানেই বক্তব্য রাখবে সেরাম বলে খবর।

এদিকে, রাশিয়ায় শুরু হয়েছে করোনা ভ্যাকসিনের প্রয়োগ। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশে রাশিয়ার মাস ভলেন্টিয়ার ভ্যাকসিনেশন শুরু হয়েছে। বুধবার রাশিয়ায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৫৮৯ জনের। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই রাশিয়ায় বিপুল পরিমাণে ভ্যাকসিন উৎপাদনের কাজ শুরু হতে চলেছে।

সূত্রের খবর কয়েক দিনের মধ্যেই দুই মিলিয়ন ডোজ তৈরি করবে রাশিয়া। প্রেসিডেন্ট পুতিন জানিয়ে ছিলেন স্পুটনিক ভি ৯২ শতাংশ কার্যকরী ভ্যাকসিন প্রমাণিত হয়েছে। সবাই মিলে কাজ করে সাফল্য আসবে বলে আশাবাদী ডেপুটি প্রাইম মিনিস্টার টাটিয়ানা গোলিকোভা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।