নয়াদিল্লি: করোনা সংকট দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে। আর্থিক বৃদ্ধির বদলে সংকোচনের কথা বলছে বিভিন্ন সংস্থার রিপোর্ট। রাষ্ট্র সংঘের রিপোর্ট সে দিক থেকে আলাদা নয়, তবে তুলনায় ভালো। চলতি বছরে রাষ্ট্র সংঘের নিরিখে ভারতের অর্থনীতির সংকোচন ৫.৯ শতাংশ। কারণ বিভিন্ন সংস্থার রিপোর্টে এই অংকটা আরো বেশি দেখা যাচ্ছিল।

তাছাড়া এই রিপোর্ট আশা করছে পরের বছর এদেশের অর্থনীতি কিছুটা ঘুরে দাঁড়াবে। রাষ্ট্র সংঘের এই ট্রেড এন্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট অনুসারে বর্তমান এই আর্থিক সংকটের জন্য সবচেয়ে দুশ্চিন্তার বিষয় ব্যাপক কর্মহীনতা। কাজ হারিয়ে রুজি-রোজগার বন্ধ হয়ে যাবে বহু মানুষের। অর্থাৎ বেকারের সংখ্যা রীতিমতো বেড়ে যেতে পারে।

এমন পরিস্থিতি কারণ হল অবশ্যই লকডাউন। করোনা সংক্রমণ আটকাতে অন্যান্য দেশের মতো ভারতকেও লকডাউন এর পথে হাঁটতে হয়েছে। যার জেরে দেশের অর্থনৈতিক কার্যকলাপ একেবারে লাটে উঠেছিল। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে আস্তে আস্তে কাজ শুরু হয়েছে।

ফলে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। রিপোর্টে আশা করা হচ্ছে আগামী আর্থিক বছরে জিডিপি সংকোচনের অবস্থা থেকে বেরিয়ে আবার বৃদ্ধির পথে যেতে পারে। দুঃসময় কাটিয়ে উঠলে পরের আর্থিক বছরে বৃদ্ধির হার ৩.৯ শতাংশ হতে পারে।

রাষ্ট্র সংঘের এই রিপোর্ট তুলনায় ভালো কারণ বিভিন্ন মূল্যায়ন সংস্থা ভারতের সংকোচন অনেক বেশি বলেছে। তাদের অনেকের নিরিখে ১০ শতাংশের বেশি সংকোচন হতে পারে। শুধু তাই নয় সরকারি হিসেব দেখেছে এই বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে সংকোচন ২৩.৯ শতাংশ। এবার তার তুলনায় যদি রাষ্ট্র সংঘ ৫.৯ সংকোচনের কথা বলে সেটা অবশ্যই কিছুটা স্বস্তির।

ওই রিপোর্টে বিশ্ব অর্থনীতি যে চরম মন্দার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে তা বলা হয়েছে। তাদের নিরিখে সংকোচন হতে পারে ৪.৩ শতাংশ। করোনার আগে যে আশা করা হয়েছিল তার তুলনায় গোটা বিশ্বে উৎপাদন ৬ লক্ষ কোটি ডলার কমে যেতে পারে।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।