নিউইয়র্ক: আরবের তৃতীয়দেশ হিসেবে ইজরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়েছে সংযুক্ত আরব ও আমিরশাহি, হয়েছে শান্তি চুক্তি। ইতিমধ্যেই এই চুক্তিকে ‘ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি’ বলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার সেই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তেনিও গুতারেজ।

রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আশাপ্রকাশ করে বলেছেন, এই চুক্তির ফলে ইজরায়েল ও প্যালেস্তাইনের রাষ্ট্রনেতারা আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পথ বেছে নিতে পারবেন। মনে করা হচ্ছে, এই চুক্তির ফলে ভবিষ্যতে দুই দেশের কূটনৈতিকস্তরে সম্পর্কের উন্নতি হবে।

সংযুক্ত আরব ও আমিরশাহি এবং অন্যান্য মুসলিম দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক আরও ভালো করতে ইজরায়েল জুডিয়া এবং সামারিয়া অঞ্চলে সার্বভৌমত্বের বিস্তারে লাগাম টেনেছে। স্বাভাবিক হবে পরিস্থিতি, ২৫ বছরে প্রথম কোন আরবের দেশের সঙ্গে চুক্তি সাক্ষর হয়েছে ইজরায়েলের।

মধ্যপ্রাচ্যের দুই দেশের এমন চুক্তিতে ট্যুইট করে আশাপ্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। শুধু তাই নয়, ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতান্যু, আবুধাবির প্রিন্স শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহান যৌথভাবে অধিকৃত পশ্চিমাঞ্চলের অংশ অন্তর্ভুক্তিকরণের কথা জানিয়েছে, এমন তথ্যই তুলে ধরেছেন রাষ্ট্রসংঘের একজন মুখপাত্র। এও জানান, ঠিক এমনটাই চাইছিলেন সংস্থার মহাসচিব।

তবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মুখে ট্রাম্পের এই কূটনৈতিক স্তরের সাফল্য জো বিডেন শিবিরকে কিছুটা হলেও ধাক্কা দেবে বলেই জানিয়েছেন ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ। গতানুগতিক ধারা থেকে বেরিয়ে এই সিদ্ধান্ত নতুন দিক দেখাবে বলেও আশাবাদী দুই দেশ।

এদিকে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি সম্প্রতি পারস্য উপসাগরের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে বিশাল সামরিক মহড়া চালিয়েছে। সেই মহড়ার বার্তা ইজরায়েল ও আমেরিকা বুঝতে পেরেছে। গত ২৮ থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই মহড়ায় নজিরবিহীনভাবে ভূগর্ভ থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে আইআরজিসি। এর পাশাপাশি ভূমি থেকে সমুদ্রে এবং সমুদ্র থেকে সমুদ্রে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে মহড়া চালানো হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে শান্তি ফিরিয়ে আনা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ। মৌলবাদ এবং করোনার থাবা কবর খুঁড়েছে সেই সব দেশগুলিতে। ২৫ বছরে এই চুক্তি রাষ্ট্রসংঘের নিয়ম মানতে, আন্তর্জাতিক আইন এবং দ্বিপাক্ষিক চুক্তিকে আরও মজবুত করবে বলেই আশাপ্রকাশ করা হয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা