স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: মরণফাঁদ তৈরি হয়েছে উল্টোডাঙা উড়ালপুলে৷ উভয়দিকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে যানচলাচল৷ কি ধরনের মরণফাঁদ, তারই পরিদর্শনে যাবেন ৬ সদস‍্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি। আগামিকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ওই কমিটি পরিদর্শন করবেন৷ তারপরই জানা যাবে উড়ালপুলের ভবিষ্যত কি হবে৷

সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার উল্টোডাঙা উড়ালপুল পরিদর্শনে যাবেন ৬ সদস‍্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি। সেতু বিশেষজ্ঞ বা চিফ কনসালট্যান্ট অমিতাভ ঘোষালের নেতৃত্বে ওই কমিটিতে রয়েছেন কেএমডিএ-র ২ জন ইঞ্জিনিয়ার৷ ওই ইঞ্জিনিয়াররা হলেন আশিস সেন ও ভাস্কর সেনগুপ্ত। এছাড়া বাকি ৩ জন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত সেতু বিশেষজ্ঞ। এরা হলেন কনসালট্যান্ট সমীরণ সেন, খড়গপুর আইআইটি-র ডেপুটি ডিরেক্টর শ্রীমান ভট্টাচার্য, স্থপতি বিশেষজ্ঞ সুব্রত চক্রবর্তী৷

বিশেষজ্ঞ কমিটি উড়ালপুল পরিদর্শন করে একটি রিপোর্ট দিবেন৷ সেই রিপোর্টের উপর ভিত্তি করেই ঠিক করা হবে যে, ফাঁটল ধরা পায়ার ভেঙে ফেলা হবে, নাকি মেরামত করা হবে। যদি ভেঙে ফেলতে হয় তাহলে দীর্ঘদিনের জন্য বন্ধ থাকতে পারে উড়ালপুল৷ আপাতত তিন দিনের জন্য উড়ালপুল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছ পুলিশ৷ টেল টেলস পদ্ধতিতে হয় উড়ালপুল পরীক্ষা। তাতে গতকাল সন্ধ্যায় উড়ালপুলের পায়ার ক্যাপে ফাঁটল ধরা পড়ে৷ এরপরই তড়িঘড়ি পুলিশ উড়ালপুলের ওপর দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়৷ তারপর থেকেই তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়৷ চরম দুর্ভোগে পড়েন নিত্যযাত্রীরা৷

পুলিশ সূত্রে খবর, উল্টোডাঙা উড়ালপুল বন্ধে যানজট এড়াতে ২টি বিকল্প রাস্তার কথা বলা হয়েছে। তাতে এয়ারপোর্ট, কেষ্টপুর, বাগুইআটিগামী গাড়িগুলিকে চিংড়িহাটা উড়ালপুল ধরতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে এয়ারপোর্টের দিক থেকে আসা গাড়িগুলিকে সল্টলেকের দিক দিয়ে যেতে বলা হয়েছে। তবে খোলা রয়েছে উল্টোডাঙা মোড়ও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।