ফাইল ছবি

গুয়াহাটি: একের পর এক বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে অসম। সাধারণতন্ত্র দিবসের সকালে অসমে পরপর গ্রেনেড হামলা। এই ধারাবাহিক বিস্ফোরণে পুরো উত্তর পূর্বাঞ্চল সন্ত্রস্ত। প্রশ্ন উঠেছে এই হামলার নেপথ্যে কারা? রবিবার হামলার ঘটনার দায় স্বীকার করেছে উলফা (স্বাধীনতা)।

একটি বিবৃতিতে উলফা (স্বাধীন) দাবি করেছে, যে চারটি বিস্ফোরণ প্রজাতন্ত্র দিবসে হয়েছে তা উলফা সংগঠনের দ্বারা পরিচালনা করা হইয়েছে। পরেশ বড়ুয়ার নেতৃত্বে উলফা (স্বাধীন) এবং উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের কিছু সংগঠন যৌথভাবে ওই অঞ্চলে প্রজাতন্ত্র দিবস বয়কটের ডাক দিয়েছিলেন।

রবিবার সকালের তিনটি বিস্ফোরণ দিব্রুগড় এলাকায় হয়েছে এবং অন্য আরেকটি হইয়েছে চরাইদেও জেলায়। দশ মিনিটের পার্থক্যে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরনের ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে ছুটি থাকায় কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

প্রথম বিস্ফোরণটি হয়েছে চরাইদেও জেলায়। মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল বলেন, দ্রুত অসমকে আরও জঙ্গি মুক্ত করার কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। বৃহত্তম এই জঙ্গি আত্মসমর্পণের কয়েক ঘণ্টা পরেই ধারাবাহিক বিস্ফোরণে কাঁপল অসম।

অসম পুলিশ জানিয়েছে, এবারও ২৬ জানুয়ারি উত্তর পূর্ব ভারতে বিভিন্ন বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কালো দিন পালন করছে। সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান শুরু হতেই অসমের তিন জায়গায় নাশকতার চেষ্টা হয়। মাত্র ডিব্রুগড়ে গুরুদ্বারের কাছে জঙ্গিরা প্রথম বিস্ফোরণ ঘটায়।

এর কয়েক মিনিটের মধ্যেই আরও দুটি জায়গা থেকে বিস্ফোরণের খবর আসে। চারাইডিও এবং দুলিয়াজানে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে গোটা অসমজুড়ে।