গুয়াহাটি: ন্যাশনাল রেজিস্টার অফ সিটিজেনসের প্রথম তালিকায় নাম রয়েছে আলফা(স্বাধীনতা) জঙ্গি সংগঠনের কমান্ডার পরেশ বড়ুয়ার। অথচ নাম নেই অনেক তাবড় রাজনৈতিক নেতার। এমনকি অনেক সাংসদ কিংবা বিধায়কদের নামও নেই সেই তালিকায়।

৩১ ডিসেম্বর মধ্যরাতে প্রকাশিত ওই তালিকায় নাম নেই অসমের বিরোধী দল AIUDF-এর প্রধান তথা সাংসদ বদরুদ্দিন আজমলের। তাঁর ছেলে বিধায়ক আব্দুর রহিম আজমল এবং তাঁর ভাই বরপেটা লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ সিরাজুদ্দিন আজমলেরও নাম নেই তালিকায়।

যদিও এই প্রসঙ্গে রেজিস্টার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া শৈলেশ জানিয়েছেন, ‘এই ইস্যুতে অযথা উত্তেজিত হওয়ার কোনও কারণ নেই, কারণ এখনও সময় আছে। এখনও প্রসেস চলছে। কাজ এখনও অনেক বাকি আছে।

প্রথম তালিকা থেকে বাদ প্রায় সত্তর শতাংশ বাঙালির নাম। বাঙালি অধ্যুষিত বরাক উপত্যকা থেকেই নথিভুক্তির হার সবথেকে কম। এরপর কী হবে, তা ভেবে আশঙ্কায় ভুগছেন অনেকেই। যদিও সরকারের দাবি, এখনও দ্বিতীয় তালিকা বেরনো বাকি। এই তালিকায় নেই ১ কোটি ৩৯ লক্ষ মানুষের নাম।

পরেশ বড়ুয়ার পাশাপাশি আলফার আরেক নেতা অরুণোদয় দোহতিয়া ও বোরো জঙ্গি গোষ্ঠী এনডিএফবি নেতা বি বিদাইয়ের নামও উঠেছে। পরেশের প্রয়াত মা মিলিকি বড়ুয়া সহ তার পরিবারের পাঁচজনের নামই তালিকায় রয়েছে।

অসম চুক্তি অনুসারে, ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চের আগে থেকে যারা এই রাজ্যে বসবাস করছেন, তাঁরাই নাগরিকত্বের অধিকারী। সেই সূত্র মেনেই এনআরসি-তে নাম তোলার প্রক্রিয়া চলেছে।