গুয়াহাটি ও কোহিমা: নিজেদের অস্তিত্ব প্রমাণে প্রতিবারের মতো এবছরও উত্তর-পূর্ব ভারতে স্বাধীনতা দিবস বয়কট করার ডাক বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলির।

যৌথ বিবৃতি দিয়েছে অসমের সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আসফা(স্বাধীনতা ) এবং নাগা সংগঠন এনএসসিএন(খাপলাং ) গোষ্ঠী। এই বিবৃতিতে স্বাধীনতা দিবস পালন থেকে উত্তর পূর্বের সব জনগোষ্ঠীকে বিরত থাকার ডাক দিয়েছে দুটি সংগঠন।

সম্প্রতি মায়ানমার লাগোয়া মনিপুরের চান্দেল জেলায় অসম রাইফেলসের উপর হামলা চালায় স্থানীয় একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন। এই হামলায় কয়েকজন জওয়ানের মৃত্যু হয়।

এই ঘটনার পর থেকে উত্তর পূর্বের ৮টি রাজ্যের সরকার সতর্ক। বিশেষ করে অসম, মনিপুর, নাগাল্যান্ড ও ত্রিপুরা। এমনিতেই করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে কিছু কাটছাঁট করা হয়েছে। এর পাশাপাশি এসেছে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলির হুমকি।

আলফা(স্বা.)এবং এনএসসিএন(খাপলাং) এর যৌথ বিবৃতিতে ১৫ অগস্ট সমস্ত ব্যবসা, বাণিজ্যিক কাজ বন্ধ রাখার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।তবে ছাড় দেওয়া হয়েছে জরুরি পরিষেবা। এই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ১৫ অগস্ট নতুন করে গোলাম হওয়ার দিন।

দুটি প্রথম সারির সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের বিবৃতি জারির পরই গুয়াহাটির নিরাপত্তা নিয়ে আরও সতর্ক অসম সরকার। সম্প্রতি বেশ কয়েকবার বিস্ফোরণে অসমের রাজধানী কেঁপেছিল।

নাগাল্যান্ডের চান্দেল জেলায় থমথমে পরিস্থিতি। রাজধানী কোহিমা জুড়ে চলছে তল্লাশি অভিযান।সম্প্রতি নাগা জঙ্গি সংগঠনের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে নেতৃত্বের পরিবর্তন হয়।

ত্রিপুরার পার্বত্য এলাকার বিভিন্ন গ্রামে সক্রিয় হয়ে উঠেছে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন এনএলএফটি। বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন গোপন ঘাঁটিতে তাদের তৎপরতা লক্ষ্য করা গিয়েছে। কয়েকজন ধরা পড়েছে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার জানিয়েছেন, সরকার সন্ত্রাসবাদ রুখতে কড়া ভূমিকা নিক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।