লন্ডন: যুক্তরাজ্যে এক সপ্তাহে করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট (B1.617.2 Variant) দ্বারা আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুন হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশের যে অংশগুলিতে এই ভ্যারিয়েন্টটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে, সেখানে দ্রুত পরীক্ষা করা এবং টিকা দেওয়ার গতি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন (Boris Johnson)। এমনকি তিনি দেশবাসীকে সতর্ক করে বলেছেন, ভারতে সনাক্ত করা এই ভ্যারিয়েন্টটি দ্রুত সংক্রমিত হচ্ছে।

এক সাংবাদিক সম্মেলনে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই B1.617.2 ভ্যারিয়েন্টটি ভারতে সনাক্ত করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত বোল্টন, দারউইন, ব্ল্যাকবার্ন এবং দেশের কিছু অংশের মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আমাদের কাছে অনেক তথ্য অজানা। তবে মনে হচ্ছে এই ভ্যারিয়েন্টটি আগের থেকে দ্রুত সংক্রমিত হচ্ছে। লকডাউন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, B1.617.2 ভ্যারিয়েন্টটি মানুষের মধ্যে কতটা সংক্রমিত হচ্ছে তা বিবেচনা করে লকডাউন বাড়ানো বা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে ভাইরাসটি যদি উল্লেখযোগ্যভাবে আরও সংক্রমণযোগ্য হয় তবে আমরা কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারি।’

তবে স্বস্তির খবর দিয়ে তিনি বলেন যে, আমাদের ভ্যাকসিনটি বেশ কার্যকর ভূমিকা নিয়েছে। উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্য করোনার দুটি ভ্যাকসিনের মধ্যে ব্যবধান ১২ সপ্তাহ কমিয়ে ৮ সপ্তাহ করা হয়েছে। জনসন আরও ঘোষণা করেন যে, ৪০ বছরেরও বেশি বয়সী যারা এখনও টিকা নেননি। টিকাকরণের ক্ষেত্রে আগে তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

পাবলিক হেলথ অফ ইংল্যান্ডের তরফে জানানো হয়েছে, গত সপ্তাহে B1.617.2 ভ্যারিয়েন্ট দ্বারা ৫২০ জন সংক্রামিত হয়েছিল। এই সংখ্যাটি এই সপ্তাহে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১হাজার ৩১৩ জন। বেশিরভাগ কেস উত্তর পশ্চিম ইংল্যান্ড এবং লন্ডনে পাওয়া গেছে এবং সংক্রমণের এই শৃঙ্খল দ্রুত ভাঙ্গার জন্য অতিরিক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

কোভিড -১৯ ভাইরাসের এই রূপটি মহারাষ্ট্রে প্রথম পাওয়া গিয়েছিল। ব্রিটেনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক বলেছেন, স্বাস্থ্য আধিকারিকরা পরিস্থিতি খুব সাবধানতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনে আরও পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না। তিনি জানিয়েছেন যে, সমস্ত লকডাউনের রোডম্যাপটি ২১ শে জুন পুনর্নির্ধারণ করা হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.