ব্রিটেন: ফের দেশ জুড়ে লকডাউনের ঘোষণা করলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। নতুন করে করোনা ভাইরাসের বাড়বাড়ন্ত ঠেকাতেই এমন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

সোমবার রাতে এই ঘোষণা করেন বরিস জনসন। সেদেশের ন্যাশনাল হেল্থ সার্ভিসের তরফে বলা হয়েছে, গত ২১ দিনে করোনার বিপদ অনেকটাই বেড়েছে ইংল্যান্ডে। সংস্থার উচ্চপদস্থ মেডিক্যাল অ্যাডভাইজারদের পরামর্শেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেন, করোনার নয়া স্ট্রেনকে আয়ত্তে আনতে ফের নতুন কিছু ব্যবস্থা নিতে হবে। তাই সরকার আরও একবার সবাইকে ঘরবন্দি থাকার নির্দেশ দিচ্ছে। ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত এই লকডাউন জারি থাকবে বলে জানানো হয়েছে এদিন।

ভারতেও খোঁজ মিলেছে এই নয়া স্ট্রেনের।

শুক্রবার আরও চারজনের দেহে এই নয়া ভাইরাসের খোঁজ মিলেছে। যার জেরে করোনার নয়া স্ট্রেনে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ এ।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, নতুন চারটি কেসের মধ্যে তিনটি কেস বেঙ্গালুরুতে পাওয়া গিয়েছে। অপর একটি কেসের হদিশ মিলেছে হায়দরাবাদে।

এখনও পর্যন্ত মোট ২৯ টি এই ধরনের কেসের ক্ষেত্রে দিল্লির ল্যাবে ১০ টি, বেঙ্গালুরু ল্যাবে ১০ টি, হায়দরাবাদে ৩ টি, পুনের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজিতে ৫ টি ও পশ্চিমবঙ্গে ১ টি চিহ্নিত হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।