নয়াদিল্লি : নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। ব্রিটেন ও ভারত আরও কাছাকাছি। রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ জানাল ব্রিটেন। জি ৭ সম্মেলনে উপস্থিত থাকার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে, জি-৭ বৈঠকের আগে ভারতে আসছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। উল্লেখ্য, জি-৭ সামিট হতে চলেছে জুন মাসে ব্রিটেনের কর্ণওয়েল রিজিয়নে। জি-৭ গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলো হল ব্রিটেন, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন। একযোগে বিশ্বের জলবায়ু পরিস্থিতি, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ও মুক্ত বাণিজ্য নীতি নিয়ে আলোচনা চলবে এবারের সম্মেলনে।

ব্রিটিশ হাই কমিশন জানিয়েছে ভারতের পাশাপাশি, আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়াকে। তিন দিন ধরে সম্মেলন চলবে। মূলত করোনা প্রতিরোধে একযোগে প্রতিটি রাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হবে। জুন মাসের ১১ তারিখ থেকে বৈঠক শুরু হবে।

এবার ২৬ জানুয়ারি ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে। প্রতি বছর বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়কদের দিল্লিতে প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়ে থাকে। এটাই রীতি। সেই রীতি মেনেই প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বরিস জনসনকে। আমন্ত্রণ পত্র গ্রহণও করেছিলেন তিনি। নির্দিষ্ট দিনে তিনি ভারতে আসবেন এটাই ঠিক ছিল।

তবে তাল কাটল করোনার নয়া স্ট্রেনের হদিশ মেলায়। সম্প্রতি ব্রিটেনে করোনার নয়া স্ট্রেনের খোঁজ মিলেছে। হু-হু করে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। যা নিয়ে চোখ কপালে ওঠার জোগাড় ব্রিটিশ সরকারের। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও কী কী পদক্ষেপ করা যায় সেব্যাপারে ইতিমধ্যেই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। করোনার নয়া স্ট্রেনের মোকাবিলায় বর্তমানে ব্যস্ততা তুঙ্গে বরিসের। সেই কারণেই আসন্ন ভারত সফর বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

ইতিমধ্যেই নাকি তাঁর ভারতে না আসতে পারা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেও কথা বলেছেন বরিস জনসন। মোদীকে ফোনে দুঃখপ্রকাশ করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।