UGC

নিউ দিল্লি: করোনা কালে লাটে উঠেছে শিক্ষা ব্যবস্থা। দীর্ঘ দিন ধরে বন্ধ স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়। কবে
খুলবে তার কোনো ঠিক নেই। পরীক্ষা হচ্ছে অনলাইনে ওপেন বুক সিস্টেমের মাধ্যমে বা ইন্টারনাল
অ্যাসেসমেন্ট এর মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে নম্বর। ছাত্রছাত্রীদের মান বা মেধার যথাযথ মূল্যায়ন হচ্ছে না, যা
শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য খুব একটা ইতিবাচক দিক নয়। এই অবস্থায় করোনা মোকাবিলায় কলেজ ও
বিশ্ববিদ্যালয় গুলিকে একগুচ্ছ পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিল দেশের উচ্চ শিক্ষা নিয়ামক সংস্থা
ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস্ কমিশন বা ইউজিসি। মানসিক সুস্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও অন্যান্য যাবতীয় করোনা
সংক্রান্ত সমস্যা প্রতিহত করার জন্যই এই পদক্ষেপ গ্রহণ। ইউজিসি মনে করে যে করোনা ভাইরাসের এই
ছড়িয়ে পড়া রোধে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলির ছাত্র, শিক্ষক, অশিক্ষক কর্মী ও তাদের পরিবারের
একত্রে দায়িত্ব পালন করতে হবে । ইউজিসি প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এমনটাই জানা যাচ্ছে।

উচ্চ শিক্ষা নিয়ামক ও নীতি নির্ধারক সংস্থা হিসেবে ইউজিসি সব উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলিকে কোভিড
মোকাবিলায় টাস্ক ফোর্স গঠন, হেল্পলাইন নম্বর চালু ও মানসিক সুস্বাস্থ্য রক্ষার জন্য কাউন্সিলিংয়ের
ব্যবস্থা করার আবেদন করেছে। এই কঠিন সময়ে আমাদের কে সমস্যা সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে এবং
সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে; ইউজিসি প্রকাশিত বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে শিক্ষা
প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে আপনাদের সকলের ওপর গুরু দায়িত্ব পালন এবং বৃহত্তর স্বার্থে সবাইকে
সঙ্গে নিয়ে কাজ করার উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। এবং ক্যাম্পাসকে নিরাপদ রাখতে হবে।

ইউজিসি তাদের কোভিড ১৯ অ্যাডভাইজারি ও গাইড লাইন অনুযায়ী বলেছে –

১. মাস্ক পড়া, স্যানিটাইজেশন, সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, শারীরিক ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা, করোনা টেস্ট,
ও দরকারে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার পদক্ষেপ নিতে হবে।

২. প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত সকলকে ভ্যাকসিনেশন এর জন্য আগ্রহী করে তুলতে হবে।

৩. NCC ও NSS এর ভলেন্টিয়ারদের দক্ষতা কাজে লাগাতে তাদের নিয়ে একটি টিম গঠন করতে হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.