ফাইল ছবি

কলকাতা:  সপ্তম বেতনক্রম ঘোষণা করা হয়েছে। ইউজিসির এই বেতনক্রম চালু করা হয়েছে। যা লাঘু হচ্ছে আগামী নতুন বছর থেকে অর্থাৎ ২০২০ সাল থেকে। নয়া বছরের ১ লা জানুয়ারি থেকে বর্ধিত এই বেতন ক্রম লাঘু করা হবে। ইউজিসি’র সপ্তম বেতনক্রম ঘোষণা হলেও, তা কার্যকার হবে ১ জানুয়ারি ২০২০ থেকে। কিন্তু তার বকেয়া দেওয়া নিয়ে সেরকম সদুত্তর মিলছিল না।

সম্প্রতি ওয়েবকুপার সভায় সংগঠনের সদস্যরাও শিক্ষামন্ত্রীর কাছে এই বকেয়া দেওয়ার আর্জি জানান। কিন্তু তা যে সরকার এখনই দিতে পারবে না, তা স্বীকার করে নিলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ১৮০০ কোটি টাকা লাগবে এই বকেয়া মেটাতে। এই মুহূর্তে তা দেওয়ার মতো ক্ষমতা নেই। সভার প্রথমে সংগঠনের সভানেত্রী কৃষ্ণকলি বসু কিছুটা সুর নরম করেই এই বকেয়া দেওয়ার আর্জি জানান। পরে নিজের বক্তৃতার সময় এই আবেদন যে তাঁকে খুব একটা সন্তুষ্ট করতে পারেনি, তা বুঝিয়ে দেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, এমন আবেদন হবে কেন? কেন্দ্রীয় সরকার যে টাকা দিচ্ছে না, সেটা কি কৃষ্ণকলি জানেন? এই টাকা দিলে, শুধু অধ্যাপকদের নয়, অতিথি শিক্ষকদের দিতে হবে, পার্শ্বশিক্ষকদেরও দিতে হবে। ফলে এত টাকা এই মুহূর্তে সরকারের নেই।

ফাইল ছবি

প্রসঙ্গত, ইউজিসির সংশোধিত হারে সপ্তম পে কমিশন অনুযায়ী বেতন বাড়ছে অধ্যাপকদের। নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই কার্যকর হবে নয়া বেতনক্রম। গেস্ট লেকচারার ও পার্টটাইম অধ্যাপকদের বেতনও পাঁচ হাজার টাকা বাড়ানোর ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু ২০১৬ থেকে এই বেতনক্রম কার্যকর করতে বলেছিল ইউজিসি। কিন্তু রাজ্যে তা ২০২০ সাল থেকেই কার্যকর হচ্ছে। আর তা নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে রাজ্যের শিক্ষামহলে। কারণ, ২০২০ সাল থেকে কার্যকর হলেও বকেয়া পাওয়া নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছেই। এই বিষয়ে একাধিকবার সরকারকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি বলে অভিযোগ শিক্ষক-অশক্ষিক কর্মীদের একাংশের। এরই মধ্যে ফের একই প্রশ্ন। আর সেখানে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী, আপাতত বকেয়া টাকা পাওয়ার কোনও আশা নেই।