নয়াদিল্লি : ইউজিসি প্রকাশ করল ড্রাফট রেগুলেশন পদ্ধতি। জাতীয় শিক্ষা পদ্ধতি বা এনইপি’র মধ্যে এই পদ্ধতি আনা হচ্ছে অ্যাকাডেমিক ব্যাঙ্ক ক্রেডিট বৃদ্ধির জন্য। এবার থেকে পড়ুয়াদের অ্যাকাডেমিক ক্রেডিট পরিগনিত হবে ‘ক্লাস ওয়ার্ক’ ও ‘টিয়টোরিয়ালের’ নিরিখে।

কমিশন এই নয়া বিধি ইতিমধ্যেই সমস্ত স্কুল কলেজকে পাঠিয়ে দিয়েছে বলা জানা গিয়েছে। গত সপ্তাহেই সেই কাজ সম্পূর্ণ করেছে ইউজিসি। এতে কী সুবিধা পাবে ছাত্র ছাত্রীরা? জানা যাচ্ছে, ক্রেডিট ব্যাঙ্ক পড়ুয়াদের ডিগ্রি অর্জনে অনেকটা সাহায্য করবে। এই পদ্ধতির ফলে ছাত্র ছাত্রীরা সহজেই এক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে যেতে পারবে। কেই যদি কোনও কোর্সের মাঝখানেই নিজের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন করতে চায় তাহলে তার কোনও সমস্যা হবে না ইউজিসি তকমা প্রাপ্ত কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে। বলা হয়েছে, এক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে ট্র্যান্সফার নেওয়ার সময় তাঁদেরকে আর নতুন করে টাকা জমা দিতে হবে না, নতুন করে ব্যাঙ্কের কাজকর্ম করাতে হবে না। তার পূর্ব প্রতিষ্ঠানে দেওয়া অর্থ, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ডিটেল ও তথ্যের ভিত্তিতেই সে অন্য প্রতিষ্ঠানে সহজেই অ্যাডমিশন নিতে পারবে বলে জানা গিয়েছে ইউজিসি সূত্রে।

জানা গিয়েছে ২০২০ সালেই এনইপি এই পলিসি তৈরি করে পাঠায় সরকারের কাছে। ২০২০ সালেই ক্যাবিনেটে তা পাশ হয়ে যায়। ইউনিয়ন হায়ার এডুকেশনের সম্পাদক অমিত খারে জানিয়েছেন ২০২০ সালের আগস্ট মাস থেকেই এই নিয়ম চালু হয়েছে. কিন্তু অতিমারির জন্য তা ফলপ্রসূ হয়নি। এবার ২০২১ সালের শিক্ষাবর্ষে ছাত্রছাত্রীরা এর সুবিধা পাবে।

প্রসঙ্গত, করোনার সর্বস্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠ ও পরীক্ষা বিলম্বিত হয়েছে ও হচ্ছে। বেশ কয়েক মাস পিছিয়ে গিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির দূরশিক্ষার পঠনপাঠনও। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) সম্প্রতি নির্দেশ দিয়েছে, জানুয়ারি থেকে নতুন সেশন শুরু করতে হবে। দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এ রাজ্যের ছ’টি বিশ্ববিদ্যালয় এই নির্দেশ পেয়েছে।

ইউজিসি সূত্রের খবর, বাংলার রবীন্দ্রভারতী, বর্ধমান, উত্তরবঙ্গ, কল্যাণী, বিদ্যাসাগর ও নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়কে জানুয়ারি থেকে নতুন সেশন চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অতিমারির আগে ইউজিসি জানিয়েছিল, যে-সব বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত দূরশিক্ষার পাঠ্যক্রম চালানো হয়, ন্যাশনাল অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল (নাক)-এর মূল্যায়নে ৩.২৬ নম্বর না-পেলে তারা দূরশিক্ষা চালাতে পারবে না। সেই সঙ্গেই শর্ত ছিল, এই পাঠ্যক্রমের জন্য পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে। কিন্তু অতিমারির আবহে তা করা যায়নি। করোনার জন্য গত বছর ভর্তির ক্ষেত্রেও দেরি হয়ে গিয়েছিল। সেই সময় ইউজিসি ভর্তির সময়সীমা বাড়িয়ে দিয়েছিল।

উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ভর্তির সময়সীমা আগেই বেঁধে দিয়েছিল ইউজিসি। তারা জানিয়েছে, যদি জানুয়ারিতে সেশন শুরু হয়, ফেব্রুয়ারির পরে আর ভর্তি নেওয়া যাবে না এবং ১৫ মার্চের মধ্যে নিজেদের ওয়েবসাইটে ভর্তির সম্পূর্ণ তথ্য জানাতে হবে। জুলাইয়ে শুরু হওয়া সেশনের জন্য ভর্তি নেওয়া যাবে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এবং ১৫ অক্টোবরের মধ্যে ওয়েবসাইটে ভর্তির সম্পূর্ণ তথ্য জানাতে হবে। নতুন নির্দেশেও তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।