নিয়ঁ: ইউরোপিয়ান ফুটবলে ঝড়। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বেরিয়ে এসে মহাদেশের প্রথম সারির ১২টি ক্লাব ইউরোপিয়ান সুপার কাপ আয়োজনের দিকে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। আর এই ঘটনা যে ইউরোপিয়ান ফুটবলের গভর্নিং বডি উয়েফার সংবিধান পরিপন্থী, সেকথা বলার অপেক্ষা রাখে না। সুপার লিগে অংশগ্রহণ করতে চলা ক্লাবগুলোকে উয়েফা তাদের সমস্তরকম প্রতিযোগীতা থেকে বহিষ্কার করার কথা ঘোষণা করেছে ইতিমধ্যেই।

উল্লেখযোগ্যভাবে সুপার লিগে অংশগ্রহণ করতে চলা ১২টি ক্লাবের মধ্যে এমন ৩টি ক্লাব রয়েছে, যারা চলতি মরশুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে। এই তিনটি ক্লাব হল রিয়াল মাদ্রিদ, চেলসি এবং ম্যাঞ্চেস্টার সিটি। সূত্রের খবর, ইউরোপের এই তিন প্রথম সারির ক্লাবকে চলতি মরশুমেই ব্যান করার সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে উয়েফা। অর্থাৎ, সেমিফাইনালে উঠলেও টুর্নামেন্টের পরবর্তী পর্যায়ে খেলা নাও হতে পারে রিয়াল, চেলসি এবং সিটির। অবশিষ্ট প্যারিস সাঁ জাঁ যদিও ইউরোপিয়ান সুপার লিগের ভাবনাকে স্বাগত জানায়নি।

ইউরোপিয়ান ফুটবলের গভর্নিং বডি উয়েফার এক কার্যকরী কমিটির সদস্য এমন সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন সোমবার। যদিও এমন সিদ্ধান্ত একেবারেই অমূলক নয়। ডেনমার্ক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান, উয়েফার কার্যকরী সমিতির ওই সদস্য জানিয়েছেন আগামী শুক্রবার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে উয়েফা। তাঁর কথায়, ‘সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ার পরেই কীভাবে চলতি মরশুম শেষ হবে সেই উপায় আমরা খুঁজে বের করব।’ সবমিলিয়ে শুক্রবার উয়েফার কার্যকরী কমিটির বৈঠক যে ঐতিহাসিক হতে চলেছে নানা দিক থেকে, সেটা অনেকটাই পরিষ্কার।

২০২০-২১ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালে ১৩ বারের চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদের মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল দু’বারের চ্যাম্পিয়ন চেলসির। আরেকটি সেমিতে গতবারের রানার্স পিএসজি’র মুখোমুখি হওয়ার কথা ম্যাঞ্চেস্টার সিটির।

উল্লেখ্য, ইউরোপিয়ান সুপার লিগের প্রাথমিক যে পরিকল্পনায় রয়েছে ২০টি দল। যার মধ্যে ১৫টি দল প্রতিনিধিত্ব করবে ফাউন্ডিং মেম্বার হিসেবে এবং বাকি ৫টি দল যোগ্যতা অর্জন পর্বের মধ্যে দিয়ে অংশগ্রহণ করবে সুপার লিগে। যা খুব শীঘ্রই দিনের আলো দেখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.