মুম্বই: শীঘ্রই বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন গায়ক আদিত্য নারায়ন। দীর্ঘদিনের বান্ধবী শ্বেতা আগারওয়াল এর সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছেন তিনি। জানা যাচ্ছে যে আগামী ১ ডিসেম্বর একটি মন্দিরে বিয়ে করতে চলেছেন আদিত্য এবং শ্বেতা। আদিত্য এই বিয়ে নিয়ে খুব উচ্ছ্বসিত। কিন্তু বাবা উদিত নারায়ন বিয়ের খবরে কিছুটা চমকে গিয়েছেন বলেই জানা যাচ্ছে।

ছেলেকে নাকি উদিত নারায়ন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, ভবিষ্যতে কোনো সমস্যা হলে আদিত্য যেন তার বাবা-মাকে দোষ না দেন। দৈনিক ভাস্কর এর এক সাক্ষাৎকারে উদিত নারায়ন বলেছেন, তিনি বহুদিন ধরে শ্বেতাকে আদিত্যের বন্ধু হিসেবেই চেনেন। গায়কের কথায়, “আমি বহুদিন আগে থেকেই শ্বেতাকে চিনি। কিন্তু শুধুমাত্র আর ছেলের বন্ধু হিসেবে। আদিত্য একদিন আমার কাছে এসে বললো সে শ্বেতাকে বিয়ে করতে চায়। আমি আদিত্যকে এটাই বললাম যে কোনও সমস্যা হলে পরে মা বাবাকে দোষ দিও না।”

বিশেষ করে ছেলের বিয়ে মন্দিরে হবে, এই নিয়ে খুব একটা খুশি নন উদিত নারায়ন। তিনি চেয়েছিলেন মানুষের সমাগমে ঘটা করে ছেলের বিয়ে দেবেন। কিন্তু বর্তমানে কভিড পরিস্থিতি মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আদিত্য।

প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে আদিত্য এক সাক্ষাৎকারে জানান, লক ডাউন এর ফলে তাঁর হাতে বেশি টাকা নেই। তিনি বলেছিলেন, “এরপরে লকডাউনের সময়সীমা যদি আরো বাড়ানো হয় তাহলে মানুষ না খেতে পেয়ে মারা যাবে। আমার সমস্ত সেভিংস খরচ হয়ে গিয়েছে। আক্ষরিক অর্থেই সমস্ত জমানো টাকা শেষ। মিউচুয়াল ফান্ডে যে টাকা বিনিয়োগ করেছিলাম, সেগুলিও তুলে ফেলতে হয়েছে। কারণ আমরা কেউ ভাবিনি যে আমি একবছর কোনো কাজ না করেও স্বাভাবিকভাবে দিন কাটাবো। কোটিপতি ছাড়া কেউ এভাবে ভাবে না। তাই আর কোন উপায় নেই। আমার অ্যাকাউন্টে আর মাত্র ১৮ হাজার টাকা পড়ে রয়েছে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।