মুম্বই: গত কয়েকদিন ধরেই মহারাষ্ট্রের সরকার গঠন নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। সোনিয়া গান্ধী শিব সেনার সঙ্গে জোটে সম্মতি দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার গভীর রাতে শরদ পাওয়ারের সঙ্গে দেখা করলেন উদ্ধব ও আদিত্য ঠাকরে। দক্ষিণ মুম্বইতে শরদ পাওয়ারের বাসভবনেই সেই বৈঠক হয়।

এদিন সন্ধেয় মুম্বইতে ফিরেছেন শরদ পাওয়ার। ফিরেই উদ্ধব ঠাকরেকে ডাকেন। এরপরই বৈঠক হয় তাঁর বাড়িতে। শুক্রবারই শিব সেনা, কংগ্রেস ও এনসিপি আনুষ্ঠানিকভাবে জোট ঘোষণা করবে বলে সূত্রের খবর। জানা গিয়েছে, কংগ্রেস ও এনসিপি উভয়েই চাইছে, উদ্ধব ঠাকরেই হোন মুখ্যমন্ত্রী।

এদিকে, শুক্রবারই শিব সেনা বিধায়কদের নিয়ে একটি বৈঠক করবেন উদ্ধব ঠাকরে।

গত বুধবার মহারাষ্ট্রে সরকার গঠনের জন্য শিব সেনার সঙ্গে জোটের ক্ষেত্রে অনুমতি দিয়েছেন সোনিয়া গান্ধী। সোমবার এনসিপি চিফ শরদ পাওয়ারের সঙ্গে বৈঠক ছিল সোনিয়া গান্ধীর। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

মন্ত্রিসভায় ভাগাভাগি কীভাবে হবে, তার হিসেব কষতে বুধবার সন্ধেয় সুপ্রিয় সুলের বাড়িতে বৈঠকে বসেন এনসিপি নেতারা।

সোমবার বৈঠক শেষে এনসিপি প্রধান স্পষ্ট জানান, ‘সরকার নিয়ে নয়, মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সোনিয়াজির সঙ্গে কথা হয়েছে। কংগ্রেস ও এনসিপি নেতারা ফের বৈঠক করবেন।’

অন্যদিকে, দলীয় মুখপত্র ‘সামনায়’ মহারাষ্ট্র থেকে গেরুয়া শিবিরকে ‘উপড়ে’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে শিবসেনার। ‘দাম্ভিকাতার রাজনীতির শেষের শুরু’ বলে সতর্ক করেছে উদ্ধব ঠাকরে, সঞ্জয় রাউতরা। সম্রাট মহম্মদ ঘোরির সঙ্গে বিজেপির তুলনা টেনে বলা হয়েছে, ‘দল এতদিন মহারাষ্ট্রে বহু অকৃতজ্ঞদের সহ্য করেছে, এবার তাদের শেষ করার সময় এসেছে।’