দুবাই: ক্রিকেটে ফের ম্যাচ গড়াপেটার ছায়া৷ ২০১৯ টি-২০ বিশ্বকাপের যোগ্যতাঅর্জন পর্বে ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগ ওঠে ২ ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রাক্তন অধিনায়ক মহম্মদ নাভিদ এবং ব্যাটসম্যান শাইমান আনোয়ারকে ম্যাচ গড়াপেটায় দোষী সাব্যস্ত করল আইসিসি।

বিশ্বকাপের যোগ্যতাঅর্জন পর্বের পাশাপাশি নাভিদকে টি-১০ লিগেও ম্যাচ গড়াপেটার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। এমিরেটস ক্রিকেট বোর্ডের করাপশন কোর্ড লঙ্ঘন করেছে আমিরশাহীর প্রাক্তন অধিনায়ক৷

আইসিসি-র তরফে যে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে, তা বলা হয়েছে, ‘সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর ক্রিকেটার মহম্মদ নাভিদ এবং শাইমান আনোয়ার বাটের বিরুদ্ধে ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে৷ তার ভিত্তিতে এই দুই ক্রিকেটাররে দোষী সাব্যস্ত করেছে দুর্নীতি দমন শাখা। ২০১৯ টি-২০ বিশ্বকাপের যোগ্যতাঅর্জন পর্বে ম্যাচ গড়াপেটার চেষ্টা করেছিল এই দুই ক্রিকেটার। দু’জনকেই আপাতত নির্বাসিত করা হয়েছে।’

বিশ্বক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থার তরফে বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘নাভেদ ও শাইমানকে আইসিসি-র অ্যান্টি-করাপশন কোর্ড অনুসারে ট্রাইবুনালে শুনানিতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে৷ দু’জনে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে ২০১৯ টি-২০ বিশ্বকাপের যোগ্যতাঅর্জন পর্বে ম্যাচে দুর্নীতির চেষ্টা করেছিল৷ এই দু’জনকে অনির্দিষ্টকালের জন্য নির্বাসিত করা হয়েছে৷’

৩৩ বছরের নাভেদ আরব আমিরশাহীর হয়ে ৩৯টি ওয়ান ডে এবং ৩১টি টি-২০ ম্যাচ খেলেছেন৷ আমিরশাহীর এই পেসারের ঝুলিতে রয়েছে ৯০টি আন্তর্জাতিক উইকেট। আবু ধাবিতে ২০১৯ টি-২০ বিশ্বকাপের যোগ্যতাঅর্জন পর্বে ম্যাচে এবং টি-১০ লিগে নাভেদের বিরুদ্ধে ম্যাচ গাড়াপেটার অভিযোগ ওঠে৷ আর শাইমানের বিরুদ্ধে দু’টি টি-২০ কোয়ালিফায়ারে ম্যাচে ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে৷

অভিযোগকারী ব্যক্তির বক্তব্য ছিল নাভিদ তাকে বলেছিলেন, ‘আমি অধিনায়ক, যা খুশি করতে পারি।’ আইসিসি যে তথ্য হাতে পেয়েছিল তাতে জানা গিয়েছে, ওমান এবং আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলার সময়ে নাভেদ নিজের ওভার গুলিতে বেশি রান দেওয়ার কথা বলেছিল৷ আর মি. আনোয়ার ম্যাচের চতুর্থ ও পঞ্চম ওভারে কম রান করবে বলে জানানো হয়েছিল’ হোয়াটাসঅ্যাপের ম্যাচ গড়াপেটা নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছিল বলেও জানিয়েছে অভিযোগকারী। এই আলোচনায় ১০ হাজার ডলারের বিনিময়ে ম্যাচ-ফিক্সিং করবে বলেও জানিয়েছিল নাভেদ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।