ওয়াশিংটন: প্রত্যেকদিনের মতই হোয়াইট হাউসে সাংবাদিক বৈঠক করছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। কিন্তু আচমকাই সেই বৈঠক থেকে মাঝপথে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হল তাঁকে।

আমেরিকার সিক্রেট সার্ভিসের আধিকারিকরা তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যান। এরপরই লক করে দেওয়া হয় ব্রিফিং রুম।

এদিন সাংবাদিক বৈঠকেই ট্রাম্প জানান, হোয়াইট হাউসের সামনে গুলি চলেছে। এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গুলি করেছে সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরা। আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন: আইনি পদক্ষেপ নেবে TikTok, ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি সংস্থার

এদিন সাংবাদিক বৈঠক চলাকালীন আচমকা সিক্রেট সার্ভিসের এক আফিসার এসে ট্রাম্পের কানে কানে কিছু বলেন। আর তারপরই সেখান থেকে তাঁকে দ্রুত সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। বন্ধ করে দেওয়া হয় ব্রিফিং রুম: সিক্রেট সার্ভিসের কাজে খুশি ট্রাম্প।

এদিন তিনি বলেন, সিক্রেট সার্ভিস থাকলে আমি নিশ্চিন্তে থাকি। তাঁদের এত দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ধন্যবাদও জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি জানিয়েছেন যাকে গুলি করা হয়েছে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: এইচ ওয়ান বি ভিসা নিয়ে ভারতীয় কর্মীদের দুশ্চিন্তা বাড়ালেন ট্রাম্প

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।