ওয়াশিংটন: ইরানে এয়ারস্ট্রাইকের পর হাই অ্যালার্ট জারি হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। আশঙ্কা করা হচ্ছে বদলা নিতে স্লিপার সেল নাশকতা মূলক কাজকর্ম ঘটাতে পারে একাধিক শহরে।

নিউ ইয়র্ক এবং লস অ্যাঞ্জেলেস সহ বড় বড় শহরগুলিতে ইতিমধ্যে কড়া নিরাপত্তায় ঘিরে ফেলা হয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে প্রতিশোধ নিতে মরিয়া হয়ে উঠতে পারে স্লিপার সেলগুলি। মনে করা হচ্ছে, হিজাবুল জঙ্গেএ সংগঠন তাঁদের স্লিপার সেলগুলির মাধ্যমে নাশকতা করতে পারে।

প্রাক্তন সিআইএ অপারেশন অফিসার স্যাম ফাদিস সতর্ক করেন যে হিজবুল নামক ওই জঙ্গি সংগঠনের স্লিপার সেলগুলি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে লুকিয়ে ছিল এবং ওই দেশের দর্শনীয় স্থানগুলিকে টার্গেট করতে পারে।

আরও পড়ুন – আগামী ২৪ ঘন্টায় আরও ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস

উল্লেখ্য, শুক্রবার সকালে বাগদাদ বিমানবন্দরে হামলায় উচ্চপদস্থ সেনা আধিকারিকের মৃত্যু হয়েছে। ইরানের কম্যান্ডার কাশেম সোলেইমানি এবং ইরাকের ডেপুটি হেড হাশেদ-আল-শাবির দলের সেনারা মারা গিয়েছেন।

বিক্ষোভকারীরা দূতাবাসের দেয়ালের একাংশ এবং দূতাবাসের নিরাপত্তা চেকপোস্টে আগুন ধরিয়ে দেয়। তারা ‘যুক্তরাষ্ট্র ধ্বংস হোক’ বলে স্লোগান দেয় এবং মার্কিন সেনাদের ইরাক থেকে বহিষ্কার করার দাবি জানায়। বৃহস্পতিবার ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আদিল আল-মাহদির আহ্বানে সাড়া দিয়ে মার্কিন দূতাবাসের সামনে থেকে সরে গিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।

লস অ্যাঞ্জেলেস শহরের পুলিশ বিভাগ জানিয়েছে যে, শহরটির ওপর বর্তমানে কোনও বিশ্বাসযোগ্য হুমকি না থাকলেও তারা ইরানের ঘটনা কোনদিকে গড়ায় তার দিকে কড়া নজর রাখছে। পাশাপাশি লস অ্যাঞ্জেলেস-এর নিরাপত্তা সঠিক রাখতেও তাঁরা বদ্ধ পরিকর।