টোকিও: এর আগে গত ছ’দশকে এত ভয়ঙ্কর ঝড় আর আসেনি। ভয়ঙ্কর বেগে আছড়ে পড়েছিল টাইফুন হাগিবিস। আর তার জেরে জাপানে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪।

টাইফুনের তাণ্ডবে প্রবল জলোচ্ছ্বাসে নিখোঁজ হয়েছেন অনেকে। এখনও তাঁদের সন্ধান চলছে বলে জানা গিয়েছে। টাইফুনের সময় প্রবল বৃষ্টিপাতে নদীর জল বেড়ে যাওয়ায় বন্যা হয় ও তাতেই অনেকের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদসংস্থা। শনিবার সন্ধ্যায় টাইফুন হাগিবিসে জাপানের প্রধান দ্বীপ হনশুর পূর্ব উপকূল দিয়ে উঠে এসে ব্যাপক তাণ্ডব চালায়।

এই টাইফুনটির কেন্দ্র সরাসরি রাজধানী টোকিওর ওপর দিয়ে এগিয়ে যায়। টাইফুন হাগিবিসে ২২০ জন আহত হওয়ার পাশাপাশি এটি আঘাত হানার প্রায় চার দিন পর এখনও ১২ জন নিখোঁজ। হনশু দ্বীপের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ৫২টি নদীর জল বেড়ে বন্যা হয়েছে।

টোকিওর উত্তরে ফুকুশিমা অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। অঞ্চলটির বাসিন্দারা বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত আসবাবপত্র ও আবর্জনা রাস্তায় এনে জড় করতে শুরু করেছেন। নিজেদের বাড়ি পরিষ্কার করতে অক্ষম অনেক বৃদ্ধ এখনও আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে রয়ে গেছেন।

নাসার তরফে জানানো হয়েছে এটাই শতাব্দীর ভয়ঙ্করতম ঘূর্ণিঝড় হতে চলেছে।

উল্লেখ্য, এই মরশুমে জাপানে এটি ১৯ তম টাইফুন। গত বছরেও ভয়ঙ্করতম সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে পড়েছিল জাপান। মৃত্যু হয়েছিল বহু মানুষের। কিন্তু এবার যেন কোনও প্রাণহানি না হয় সে জন্য আগে থেকেই কোমর কষে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে জাপানের নানান বিভাগ। সে দেশের প্রধানমন্ত্রী সিনজো আবে ‘হাগিবিস’ এর মোকাবিলায় সবরকম ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও