হানোই :বাংলার প্রবাদ বাক্য আছে জানেন তো, ‘রাখে হরি মারে কে?’ এ যেন অনেকটা তাই। ভিডিওটা দেখার পর আপনি নিজেও একথা অক্ষরে অক্ষরে সত্যি বলে বিশ্বাস করবেন। মৃত্যু একেবারে কান ঘেঁষে বেরিয়ে গেল ২ বছরের খুদে শিশুর। ১২ তলা থেকে পড়া এক ২ বছরের মেয়েকে লুফে ধরে নিল এক ডেলিভারি বয়! ভিয়েতনামের এ ঘটনা এখন ইন্টারনেটে ভাইরাল।

জানা গিয়েছে, ওই ডেলিভারি বয় আসলে একটি ট্রাকে করে মাল ডেলিভারি দিতে এসেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করে ওপরে তাকাতে সে দেখতে পায় ব্যালকনি থেকে হাত ধরে ঝুলছে এক খুদে শিশু। দ্রুত তিনি গাড়ি থেকে নেমে আসেন, এসময় হাত ফসকে পড়ে যায় ২ বছরের শিশুটি। কপাল ভালো, প্রায় সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে লুফে নেয় ওই ড্রাইভার।

আরও পড়ুন – রাজনীতিতে না আসার জন্য সুহৃদ অশোকের পরামর্শ মানবেন কি সৌরভ, গুঞ্জন

পরে ওই ডেলিভারি বয় অর্থাৎ ড্রাইভার জানিয়েছে, “সৌভাগ্যক্রমে বাচ্চা মেয়েটি আমার কোলে এসে পড়েছিল।” তাঁর সেই ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।

৩১ বছরের ওই ডেলিভারি বয়ের বক্তব্য, সে যখন গাড়িতে ছিল, তখনই বাচ্চার কান্নার শব্দ শুনতে পেয়েছিলেন। কিন্তু প্রথমে তিনি কিছু দেখতে পাননি। একটু নজর দিতেই বোঝেন, ১২ তলা থেকে ঝুলছে মেয়েটি। সঙ্গে সঙ্গে গাড়ি থেকে নেমে দৌড়ে বিল্ডিং এর নীচে পৌঁছায় সে। এবং সৌভাগ্যবশত মেয়েটিকে লুফে নেয়।

আরও পড়ুন – কমিউনিস্টদের আটকাতে কেরলে কংগ্রেস-মুসলিম লিগের জোটের বিরোধিতা করেছিলেন ফিরোজ গান্ধী

মেয়েটিকে লুফে নিতে পারলেও, ছোট্ট শরীরে গিয়েছে মারাত্মক ধকল। মুখ থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল তাঁর। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এখন সে সুস্থ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মেয়েটির জীবন বাঁচাতে পেরে ওই চালক অত্যন্ত খুশি।

তাঁর এই কাজের জন্য এই মুহুর্তে ওই দেশে সেই রিয়েল হিরো হয়ে উঠেছে। সেখানকার স্থানীয় পত্র-পত্রিকায় ভূয়সী প্রশংসা পেয়েছে সে। লোকেরা তাঁকে ‘হরি’ বলে ডাকতেও পিছপা হচ্ছে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।