নয়াদিল্লি: কয়েক দিন আগে মানুষের সঙ্গে চিতাবাঘের খেলা করার ভিডিয়ো ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল নেট দুনিয়ায়৷ এর পরেই আবার দেখা যায় বাঘ মামার গাড়ির পিছন ধরে টানাটানি করার ছবি৷ এবার ভাইরাল দুই বাঘের তাণ্ডব৷ ন্যাশনাল পার্কে দুই বাঘের ভয়ঙ্কর মারামারির সাক্ষী থাকল পর্যটকরা৷ যা দেখে হাড়হিম আমজনতার৷

ইন্ডিয়ান ফরেস্ট সার্ভিস অফিসার পরভীন কাসোয়ান বাঘের মারামারির একটা ছোট ক্লিপিংস সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন৷ বন্যপ্রাণী প্রেমীরা যা দারুণ ভাবে উপভোগ করেছেন৷ ওই ভিডিয়োটিতে দেখা গিয়েছে, দু’টি বাঘ মারামারি করার আগে পার্কের ভিতর দিয়ে গর্জন করতে করতে হেঁটে যাচ্ছিল৷

এই ভাবে যেতে যেতেই হঠাৎ একে অপরের উপর তারা ঝাপিয়ে পড়ে৷ এর পরেই শুরু হয় জোড় কদমে লড়াই৷ দঙ্গলে ‘চিত’ করার মতো একজন অরেক জনকে মাটিতে শুইয়ে দেয়৷ এর পরই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘোষণা কর হাঁটা দেয় বিজয়ী বাঘ মামা৷ বেশ কয়েকজন পর্যটককেও ওই ভিডিয়োটিতে দেখা গিয়েছে৷

ভিডিয়োটি ভাইরাল হতেই নানাবিধ প্রতিক্রিয়া ভেসে উঠেছে ইন্টারনেটে৷ কয়েক লক্ষ ভিউ হয়েছে এই ‘দঙ্গল’-এর৷ এক ইউজার লিখেছেন, ‘‘এই লড়াইয়ের আসল সৌন্দর্য হল যখন একজন পরাস্ত হয়ে তার পরাজয় শিকার করে নেয়৷ মানুষের উচিত এই বণ্যপ্রাণীদের কাছ থেকে কিছু শেখা৷

অপর এক ইউজার আবার পর্যটকদের নিয়ে উদ্বিগ্ন৷ তিনি বলেন, ‘‘আমি অবাক হয়ে যাচ্ছি জিপগুলি সম্পূর্ণ খোলা ছিল৷ বণ্যপ্রাণীদের এই রকম আক্রমণের মুখে তাঁরা ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারত৷ তখন তাঁরা কী করতেন?’’ অপর এক ইউজার আবার এই সংঘাতকে ভয়ঙ্কর বলে উল্লেখ করেছেন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।