আগ্রা: ব্যাগ ভরে বাজার করছেন। বাজারেই লুকিয়ে বড়সড় বিপদ। ভয়াল করোনার সংক্রমণ এবার সব্জি বিক্রেতার শরীরেই। তড়িঘড়ি হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হল বাজারে যাওয়া ২ হাজারেরও বেশি ক্রেতাকে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা আগ্রার একটি বাজারের। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় হুলস্থূল গোটা আগ্রাজুড়ে। প্রশাসনেরও ঘুম ছুটেছে।

করোনা মোকাবিলায় গোটা দেশেই চলছে দ্বিতীয় দফার লকডাউন। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থেই দিনের মাত্র কয়েকঘণ্টা খোলা থাকছে বাজার। এবার সেই বাজারে গিয়েই বড়সড় বিপদ ডেকে আনলেন আগ্রার হাজার দু’য়েক বাসিন্দা।

ওই বাজারেই এক সব্জি বিক্রেতা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এতেই বড়সড় আশঙ্কায় ভুগছে প্রশাসন। আগ্রার ওই অংশে গোষ্ঠী সংক্রমণের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

উত্তরপ্রদেশের আগ্রা জেলা আগেই করোনার হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ইতিমধ্যেই পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের এই শহরে প্রায় আড়াইশোজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

জানা গিয়েছে, আগ্রার ফ্রিগঞ্জের চমন লাল এলাকার ওই বাজারে এক সব্জি বিক্রেতার শরীরে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। অসুস্থ হয়ে পড়ায় ওই ব্যক্তির করোনা পরীক্ষা করা হয়। রিপোর্ট পজিটিভ আসতেই ঘুম ছুটেছে প্রশাসনের।

তড়িঘড়ি ওই সব্জি বিক্রেতার সংস্পর্শে কারা এসেছেন তার খোঁজ নেওয়া শুরু করে প্রশাসন। ইতিমধ্যেই ওই বিক্রেতার সংস্পর্শে ও ক্রেতাদেরও সংস্পর্শে আসা প্রায় ২ হাজার জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফে। কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিদের স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর করা শুরু করেছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত যাঁদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে, তাঁদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা হবে। কারও শরীরে করোনার উপসর্গ দেখা দিলেই তাঁর করোনা পরীক্ষা করানো হবে। সব্জি বিক্রেতা করোনা আক্রান্ত হওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক একটি সংকেত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরাও। এই পরিস্থিতিতে আগ্রায় গোষ্ঠী সংক্রমণের পরিস্থিতিও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তাঁরা।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ