শ্রীনগর: ভারতীয় সেনার ফের সাফল্য। জম্মু কাশ্মীরের কুলগামে তল্লাশি চালিয়ে দুই জঙ্গিকে খতম করল সেনা। শনিবার সেনা জঙ্গি গুলির লড়াই শুরু হয় কুলগামের আরাহ এলাকায়। প্রথম জঙ্গিকে নিকেশ করার পরে ফের তল্লাশি শুরু করে সেনা। দ্বিতীয় জঙ্গির পরিবারের লোকেরা আত্মসমর্পণের অনুরোধ করলেও, সে শোনেনি। পরে তাকেও সেনার গুলিতে প্রাণ হারাতে হয়।

জম্মু কাশ্মীর পুলিশের আইজিপি (কাশ্মীর রেঞ্জ) জানান, তল্লাশি জারি রাখবে যৌথবাহিনী। তবে দ্বিতীয় জঙ্গিকে মারার আগে, তার পরিবারকে এনকাউন্টার স্থলে নিয়ে আসা হয়েছিল, যাতে সে আত্মসমর্পণ করে। তবে লাভ হয়নি।

শনিবার সকালে গুলির লড়াই চলাকালীন এক জঙ্গি খতম হয়। তিন সেনা জওয়ান আহত হন। তবে তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসার পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে তল্লাশি শুরু করে সেনার যৌথ বাহিনী। গোপন সূত্রে খবর পেয়েই দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগামে এই তল্লাশি অভিযান চালায় সেনা।

এদিকে, পুলিশ জম্মু কাশ্মীরের রজৌরি জেলা থেকে বিপুল পরিমাণে বিস্ফোরক ও অস্ত্র উদ্ধার করে। এর মধ্যে ছিল আন্ডার ব্যারেল গ্রেনেড লঞ্চার, গ্রেনেড, এ কে ম্যাগাজিন, পিস্তল, ডিটোনেটর, আইইডি তৈরির সামগ্রী। উল্লেখ্য, চলতি বছরে ১২২ জন জঙ্গিকে নিকেশ করতে পেরেছে ভারতীয় সেনা।

লাদাখে চিনের সঙ্গে লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলে সংঘর্ষের মাঝেই পাকিস্তানের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমানায় নজরদারি বাড়িয়েছে সীমান্ত রক্ষা বাহিনী। পাকিস্তানকে রুখতে বদ্ধপরিকর বর্ডার সিকিউরিটি ফোরস।

মঙ্গলবার, জম্মু ও কাশ্মীরের ডিজিপি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, উপত্যকা অঞ্চলের শান্তি বিঘ্নিত করতে জঙ্গিদের সেখানে ঢুকিয়ে দিয়ে চাইছে পাকিস্তান। সীমান্তের ওপারে লঞ্চপ্যাড সক্রিয় করে রাখা হয়েছে। তবে আমাদের সুরক্ষা বাহিনী বহু অনুপ্রবেশের ঘটনা আটকে দিয়েছে বলেও জানান তিনি।

জুনের ২০ তারিখ জম্মুর কাঠুয়া জেলায় আন্তর্জাতিক সীমানার কাছে অস্ত্রভর্তি পাক ড্রোনকে আটকে দিয়েছে বিএসএফ। সেখানে আমেরিকান রাইফেল, সাতটি গ্রেনেড এবং দুটি ম্যাগাজিন রাইফেল পাওয়া গিয়েছে। সেইসব অস্ত্র জঙ্গিদের কাজে ব্যবহার করার জন্য পাকিস্তান হেক্সাকপ্টার করে নিয়ে যাচ্ছিল বলেই জানা গিয়েছে বিএসএফ সূত্রে।

সেদিনের ঘটনার পর থেকেই পাকিস্তানের জঙ্গিমূলক কার্যকলাপ আটকাতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সীমান্ত রক্ষা বাহিনী। সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় বাড়ানো হয়েছে পেট্রলিং। অনুপ্রবেশ আটকাতে তৎপর বিএসএফের তরফে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ