শ্রীনগর:  একদিকে লাদাখে ভারত-চিন মুখোমুখি আর অন্যদিকে ক্রমশ সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করছে পাকিস্তান সেনা। যদিও কড়া ভাষায় প্রত্যাঘাত ভারতীয় সেনার।

রিপাবলিক টিভিতে প্রকাশিত খবর মোতাবেক, কড়া প্রত্যাঘাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি পাকিস্তানের দিকে। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে একাধিক পাক ছাউনি। আর তাতে দুই পাকসেনা খতম হয়েছে বলে খবর। এছাড়াও। বেশ কয়েকজন পাক জওয়ান গুরুতর আহত বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। যদিও ভারতীয় শিবিরে সবাই সুস্থ আছেন বলেই খবর।

এদিন সন্ধ্যার পর থেকে বিনা প্ররোচনাতে লাগাতার শেলিং শুরু করে পাকসেনা। পুঞ্চের বালাকোট সহ একাধিক সেক্টরে ভারতীয় সেনা ছাউনি টার্গেট করে শেলিং চালাতে শুরু করে পাকসেনা। সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামগুলিকেও টার্গেট করা হয়।

যদিও পালটা প্রত্যাঘাত ভারতীয় সেনাতর তরফেও। কড়া ভাষায় জবাব দেওয়া হয় পাকিস্তান সেনাকে। ওই সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর মোতাবেক, পাকিস্তানকে জবাব দেওয়ার জন্যে অ্যান্টি ট্যাংক গাইডেড মিসাইল ব্যবহার করা হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। দুপক্ষের গোলাগুলিতে ব্যাপক উত্তেজনা। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, প্রায় প্রত্যেকদিন বিনা প্ররোচনায় জম্মু-কাশ্মীর সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন করছে পাক সেনা। চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত পাওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২৪৩২ বার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন করছে পাকিস্তান। মৃত্যু হয়েছে ১৪ জন ভারতীয়ের। আহতের সংখ্যা ৮৮।

ভারতীয় সেনার এক সূত্র সংবাদমাধ্যমকে বলেছে, ‘লাগাতার বিনা প্ররোচনায় সীমান্তে সংঘর্ষ বিরতি ঘটাচ্ছে পাকিস্তান। আমরা এর কড়া প্রতিবাদ করেছি।’ সেনাবাহিনীর ডিরেক্টর জেনারেল পর্যায়ে বৈঠকের পরও পাকিস্তানের দিক থেকে কোনও পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি বলে জানিয়েছেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর আধিকারিকরা।

অন্যদিকে, লাদাখে চিনের সঙ্গে লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলে সংঘর্ষের মাঝেই পাকিস্তানের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমানায় নজরদারি বাড়াল সীমান্ত রক্ষা বাহিনী। পাকিস্তানকে রুখতে বদ্ধপরিকর বর্ডার সিকিউরিটি ফোরস।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ