স্টাফ রিপোর্টার , হাওড়া : করোনার সংক্রমণ ক্রমেই বেড়ে চলেছে।২১ দিনের দীর্ঘ লকডাউনের মধ্যেই পরিবেশ সচেতনতার পরিচয় দিলেন গ্রামীণ হাওড়ার বাগনান-১ ব্লকের ভূঁয়েড়া বি এন এস স্কুলের একাদশ শ্রেণীর কলা বিভাগের দু’ই ছাত্র সুরজিৎ জানা ও দেবাশীষ বেরা।

করোনা আতঙ্কের মাঝেই বাগনানের সিঙ্গেড়া গ্রামে গতকাল একটি ট্যারান্টুলা দেখতে পান গ্রামবাসীরা। স্বভাবতই আতঙ্কিত হয়ে প্রথমে তারা মেরে ফেলার কথা ভাবেন। তখন সেখানে উপস্থিত দু’ই ছাত্র সুরজিৎ ও দেবাশীষ গ্রামবাসীদের বুঝিয়ে ট্যারেন্টুলাটিকে উদ্ধার করে। তাঁদের কথায়,”পরিবেশে সমস্ত প্রাণীর প্রয়োজন আছে, সবাই বাঁচলে তবেই বাস্তুতন্ত্র রক্ষা পাবে।”

গ্রামবাসীরাও এই দু’ই কিশোরে কথা মেনে নেয়।তারা সাথে সাথেই যোগাযোগ করে তাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষক বিশিষ্ট গবেষক সৌরভ দোয়ারীর সাথে। সৌরভ বাবুর পরামর্শ অনু্যায়ী,বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে নদীর ধারে ঝোপঝাড় যুক্ত এলাকায় ছেড়ে দেয় এই দু’ই পরিবেশ সচেতন পড়ুয়া।

এদিকে গ্রামীণ হাওড়ায় করোনার সংক্রমণ রুখতে প্রস্তুত প্রশাসন। তাই বিভিন্ন হাসপাতালের পাশাপাশি যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আমতা-২ ব্লকের জয়পুর পঞ্চানন রায় কলেজ ভবনেই তৈরি হচ্ছে বিশেষ কোয়ারেন্টাইন ওয়ার্ড। তার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখলেন আমতা-২ ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুকান্ত কুমার পাল,ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক মিঠুন মাইতি ও বি.বি. হাসপাতালের সুপার সুকান্ত বিশ্বাস।ব্লকের করোনা বিষয়ক টাস্ক ফোর্সের প্রধান তথা সুকান্ত পাল জানান,”প্রাথমিক পর্যায়ে ৫১ টি শয্যা চালু হলেও মোট ১০০ টি বেড থাকবে এই বিশেষ ওয়ার্ডে।”