রায়গঞ্জ: কালিয়াগঞ্জের পার্বতী সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম ও দ্বাদশ শ্রেনীর দুই ছাত্র দুলাল বর্মন ও গৌতম বর্মন অনূর্ধ্ব ১৯ রাজ্য খো খো দলে নির্বাচিত হওয়ায় শনিবার সকালে তাদের সংবর্ধনা দিল বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ। সেই সঙ্গে অনূর্ধ্ব ১৯ রাজ্য খো খো দলের বাংলার কোচ হিসাবে নির্বাচিত কালিয়াগঞ্জের পার্বতী সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র তথা ঢাক ঢোল উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষক বরুণ দাসকেও এদিন সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য দুর্গা পুজোর আগে জেলা ভিত্তিক অনূর্ধ্ব ১৯ খো খো দলের হয়ে নির্বাচিত হয়েছিল দুলাল ও গৌতম। শিলিগুড়িতে অনুষ্ঠিত হওয়া রাজ্য স্তরের খো খো প্রতিযোগিতায় রাজ্যের প্রতিটি জেলার খো খো দল খেলায় অংশগ্রহণ করে। সেখানে অনূর্ধ্ব ১৯ রাজ্য খো খো দলের জন্য নির্বাচিত হয় কালিয়াগঞ্জের পার্বতী সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়ের এই দুই ছাত্র। সেই সঙ্গে কালিয়াগঞ্জের পার্বতী সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রক্তন ছাত্র বরুণ দাসকে বাংলার খো খো দলের কোচ হিসাবে নির্বাচিত করায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা সহ কালিয়াগঞ্জের শিক্ষা অনুরাগী মানুষজন ভীষণভাবে গর্বিত।

আগামী ৩ থেকে ৬ জানুয়ারী মহারাষ্ট্রের সানলীতে জাতীয় পর্যায়ের অনূর্ধ্ব ১৯ খো খো খেলা অনুষ্ঠিত হবে। সেই খেলায় বাংলার হয়ে খো খো দলে খেলার সুযোগ পাবে দুলাল ও গৌতম।এদিনের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নন্দন সাহা, বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষক বৈকুণ্ঠ বৈশ্য, সহ বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নন্দন সাহা বলেন, “তিনি বিদ্যালয়ের দুই ছাত্র অনূর্ধ্ব ১৯ রাজ্য খো খো দলের হয়ে জাতীয় পর্যায়ে অংশ গ্রহণ করেছে তাতে একদিকে বিদ্যালয় গর্বিত, আগামীতে তারা যাতে আরও এগিয়ে যায়।” অনূর্ধ্ব ১৯ রাজ্য খো খো দলের বাংলার কোচ বরুণ দাস বলেছেন, “খো খো খেলার দিকে সাধারণ এই অঞ্চলের বিদ্যালয় গুলির সে রকম উৎসাহ দেখা যায় না। তবু তিনি বিভিন্ন বিদ্যালয় গুলির সাথে যোগাযোগ করে ফ্রি কোচিং সেন্টার চালু করেছে। যার ফলে সকল বিদ্যালয় গুলিকে এগিয়ে আসতে বলেছেন। কারণ উত্তর দিনাজপুর জেলায় বহু প্রতিভাবান খেলোয়াড় রয়েছে। এদিকে বাংলার হয়ে অনূর্ধ্ব ১৯ খো খো দলে সুযোগ পাওয়া ছাত্র বরুণ দাস বলে তারা খুব খুশি কারণ তারা সুযোগ পেয়েছে বাংলা দলের হয়ে খেলার। তারা বাংলার দলকে জয়ী করাতে চায়। সেই সঙ্গে আগামী দিনে আরও ভালো খেলে জাতীয় দলের হয়ে যাতে লড়াই করতে পারে সেই চেষ্টা চালাচ্ছে তারা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।