কলকাতা: এই প্রথম ৮ দফায় ভোট হবে পশ্চিমবঙ্গে৷ এর আগে ৭ দফায় ভোট হয়েছে৷ এবার শহর কলকাতায়ও ২ দফার ভোট হবে বলে ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের৷

বাংলায় ভোট শুরু হবে ২৭ মার্চ৷ আর শেষ হবে ২৯ এপ্রিল৷ সপ্তম দফায় ২৬ এপ্রিল কলকাতা বন্দর, ভবানীপুরে ভোট,রাসবিহারী ও বালিগঞ্জে ভোট গ্রহণ৷

আর অষ্টম দফায় ২৯ এপ্রিল ভোট গ্রহণ হবে কলকাতার এন্টালি, জোড়াসাঁকো, শ্যামপুকুরে ভোট,মানিকতলা, কাশীপুর-বেলগাছিয়ায়৷

পশ্চিমবঙ্গে ভোট হবে ২৭ মার্চ, ১ এপ্রিল, ৬ এপ্রিল, ১০ এপ্রিল, ১৭ এপ্রিল, ২২ এপ্রিল, ২৬ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিল৷ ভোট গনণা ২ মে৷ বাংলার জন্য দু’জন পুলিশ পর্যবেক্ষকও নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন৷

একনজরে কবে কোথায় ভোট:

প্রথম দফা: ভোট ২৭ মার্চ। এই দফায় ভোট হবে ৩০টি আসনে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া-১, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর-১, পূর্ব মেদিনীপুর-১-এ ভোট গ্রহণ হবে।

দ্বিতীয় দফা: ভোট ১রা এপ্রিল। ৩০ টি আসনে হবে। ভোট গ্রহণ হবে, বাঁকুড়া-২, পশ্চিম মেদিনীপুর- ২, পূর্ব মেদিনীপুর- ২, দক্ষিণ ২৪ পরগনা – ১।

তৃতীয় দফা: ভোট হবে ৬ এপ্রিল। ৩১ টি আসনে হবে। এই দফায় হাওড়া -২, হুগলি – ২, দক্ষিণ ২৪ পরগনা – ৩,।

চতুর্থ দফা: ভোট হবে ১০ এপ্রিল। ৪৪ টি আসনে হবে। হাওড়া-২, হুগলি- ২, দক্ষিণ ২৪ পরগনা- ৩, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে ভোট।

পঞ্চম দফা: ৪৫ আসন ভোট হবে ১৭ এপ্রিল। এই পর্যায়ে ভোট হবে, উত্তর ২৪ পরগনা-১, নদিয়া- ১, পূর্ব বর্ধমান-১ , দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি৷

ষষ্ঠ দফা: ভোট হবে ২২ এপ্রিল। এই পর্যায়ে ভোট গ্রহণ হবে ৪৩ আসনে। যেসব জেলায় ভোট হবে সেগুলো হল উত্তর ২৪ পরগনা-১, নদিয়া- ১, পূর্ব বর্ধমান-১ , উত্তর দিনাজপুর।

সপ্তম দফা: ভোট গ্রহণ হবে ২৬ এপ্রিল। মালদহ-১, মুর্শিদাবাদ-১, পশ্চিম বর্ধমান, দক্ষিণ দিনাজপুর কলকাতা দক্ষিণ।

অষ্ঠম দফা: ভোট হবে ২৯ এপ্রিল। মালদহ-২, মুর্শিদাবাদ-২, কলকাতা উত্তর, বীরভূমের ৩৫ টি আসনে ভোট হবে।

রাজ্যের বিশেষ পর্যবেক্ষক করা হয়েছে অজয় নায়েককে৷ মৃণালকান্তি দাস ও বিবেক দুবে, এই দুজনকে বাংলাযর বিশেষ পুলিশ অবজার্ভর করা হয়েছে৷ আয়-ব্যয়ের পর্যবেক্ষক করা হয়েছে বি মুরলিকুমারকে৷

স্বাস্থ্য নিরাপত্তার জন্য এবার পাঁচ রাজ্যেই ভোট কেন্দ্র হতে চলেছে এক তলায়। রাজ্যে পোলিং স্টেশনের সংখ্যা ১লক্ষ ১হাজার ৯১৬টি। ২০১৬ সালের তুলনায় যা ৩১ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে৷ নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বাংলায় বর্তমান বিধানসভার মেয়াদ ৩০ মে পর্যন্ত৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.