স্টাফ রিপোর্টার,বাঁকুড়া: নদী পেরিয়ে কাজে যাওয়ার পথে হড়পা বানের তোড়ে ভেসে গিয়ে জলে ডুবে মর্মান্তিক মৃত্যু হল দুই বৃদ্ধার। মর্মান্তিক এই ঘটনা ঘটেছে বাঁকুড়ার হীড়বাঁধ থানা এলাকার বহড়ামুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের বেঞ্চাবনী গ্রামে।

পুলিশ জানিয়েছেন, মৃতারা হলেন লারি বাউরী (৭০) ও কাঞ্চনা বাউরী (৬০)। স্থানীয় সূত্রের খবর, অন্যান্য দিনের মতো সোমবার সকালেও লারি বাউরী ও কাঞ্চনা বাউরী শিলাবতী নদী পেরিয়ে ইন্দপুর থানা এলাকার রঘুনাথপুর-কয়াবাইদ গ্রামে কাজে যাচ্ছিলেন। সেই সময় হড়পা বানে দু’জনই ভেসে যান।

বিষয়টি স্থানীয় এক জনের নজরে আসায় গ্রামবাসীরা নদীতে তল্লাশি চালিয়ে দুই বৃদ্ধার মৃতদেহ উদ্ধার করেন। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরে হীড়বাঁধ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ দু’টি উদ্ধার করেন।

গ্রামবাসী রাখহরি বাউরী ও মৃতার এক ছেলে রঞ্জিত বাউরী ঘটনার বিবরণ দিয়ে বলেন, নদী পেরিয়েই রঘুনাথপুর-কয়াবাইদ গ্রামে আমাদের এখানকার সবাই অন্যের চাষের জমিতে কাজে যায়। এদিনও ঐ দু’জন কাজে যাচ্ছিলেন। সম্ভবতঃ একজন হড়পা বানে ভেসে যাওয়ার পর অন্যজন তাকে বাঁচাতে গিয়েই এই দূর্ঘটনা ঘটেছে। এর আগেও শিলাবতী নদী পেরোতে গিয়ে আরও জনা পাঁচেক গ্রামবাসীর জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে এই ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখে ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। এছাড়াও মৃতদেহ দু’টি ময়নাতদন্তের জন্য বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।