স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: বাড়ির পাশে বেড়া দেওয়া হবে কি হবে না তাই নিয়ে চরম বিবাদ বাঁধলো দুই প্রতিবেশীর মধ্যে৷ এমনকি বিবাদের জেরে এক প্রৌঢ়কে হাঁসুয়া দিয়ে কোপানোর অভিযোগ উঠল প্রতিবেশী তিন যুবকের বিরুদ্ধে৷

এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের হরিশচন্দ্রপুর থানা এলাকার ইসলামপুর গ্রামে৷ আহত বৃদ্ধের নাম আবদুল সামাদ (৬৫)৷

আরও পড়ুন: SHOOTOUT at DUMDUM PARK : প্রকাশ্যে গুলি চালনায় প্রবল উত্তেজনা

স্থানীয় সূত্রে খবর, গতকাল তথা শুক্রবার আবদুল সামাদ নামে বছর ৬৫-র এক বৃদ্ধ তাঁর বাড়ির পাশে বাঁশের বেড়া লাগাচ্ছিলেন৷ কিন্তু অভিযোগ, সেই সময় তাঁকে বেড়া দিতে বাধা দেয় প্রতিবেশী দুই যুবক শাহজাহান ও ইমরান।

এই নিয়ে ওই বৃদ্ধের সঙ্গে তাদের বচসা শুরু হয়। এই বিবাদের মাঝেই শাহজাহান ও ইমরানের পরিচিত আরও এক যুবক ওই বৃদ্ধকে কটূক্তি করে৷ অভিযোগ, সেই সময়ই শাহজাহান ও ইমরান এবং তাদের আরও এক সঙ্গী বাঁশ দিয়ে ব্যাপক মারধর করে ওই বৃদ্ধকে। এমনকি হাঁসুয়া দিয়ে তার মাথায় কোপ মারা হয় বলেও অভিযোগ প্রৌঢ়ের পরিবারের৷

আরও পড়ুন: টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত ভারতের

ঘটনাস্থলেই বৃদ্ধ অসুস্থ হয়ে পড়লে এলাকা ছেড়ে চম্পট দেয় প্রতিবেশী যুবকেরা৷ বৃদ্ধের পরিবার ও স্থানীয়েরা গুরুতর জখম ওই বৃদ্ধকে উদ্ধার করে মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভরতি করে৷ পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা ওই বৃদ্ধকে কলকাতায় স্থানান্তর করার পরামর্শ দেন৷

বর্তমানে কলকাতার একটি হাসপাতালে ওই বৃদ্ধ চিকিৎসাধীন বলে পরিবার সূত্রে খবর মিলেছে৷ তবে এই ঘটনায় প্রতিবেশী তিন যুবকের বিরুদ্ধে ওই প্রৌঢ়ের পরিবার প্রাণনাশের চেষ্টার একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে৷ অভিযোগের ভিত্তিতে হরিশচন্দ্রপুর থানার পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে৷ তবে এখনও অধরা অভিযুক্তরা৷

আরও পড়ুন: রাজ্যে রথযাত্রায় বিজেপির বড় ভরসা IPS অফিসারেরা

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।