মেলবোর্ন: টুর্নামেন্টের দিন যত এগোচ্ছে, অস্ট্রেলিয়ান ওপেন নিয়ে মাথাব্যথা যেন বেড়েই চলেছে। রড লেভার এরিনায় টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করতে চলা আরও দুই প্রতিযোগীর শরীরে থাবা বসাল নোভেল করোনা ভাইরাস। বুধবার অস্ট্রেলিয়া ওপেন কর্তৃপক্ষের তরফে এই খবর জানানো হয়েছে। সবমিলিয়ে প্রতিযোগী সহ টুর্নামেন্টের সঙ্গে জুড়ে থাকা সর্বমোট ১০ জনের শরীরে মারণ ভাইরাসের হদিশ মিলল এযাবৎ।

ভিক্টোরিয়া প্রদেশের পুলিশমন্ত্রী লিসা নেভিল জানিয়েছেন, মঙ্গলবার থেকে দুই প্রতিযোগী সহ টুর্নামেন্টের সঙ্গে যুক্ত ৪ জনের শরীরে করোনার হদিশ মিলেছে। ওই মন্ত্রী সাংবাদিকদের জানিয়েছে, ‘যে দু’জন প্রতিযোগী নতুন করে সংক্রামিত হয়েছেন তাদের মধ্যে একজন মেলবোর্নে পৌঁছেই কড়া লকডাউনে ঢুকে পড়েছিলেন। কারণ ওই প্লেয়ার যে বিমানে ছিলেন সেই বিমানেরই একজনের শরীর করোনার হদিশ মিলেছিল।’

উল্লেখ্য, গত ১৬ জানুয়ারি ১৫টি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে অংশগ্রহণ করতে মেলবোর্ন পৌঁছন প্রতিযোগী ও অন্যান্য সহ ১২০০ জন। কিন্তু আসার পথে মাঝপথেই ৩ সদস্যের করোনা আক্রান্ত হওয়ায় হঠাতই দুশ্চিন্তার বাতাবরন তৈরি হয় অস্ট্রেলিয়ান ওপেন ঘিরে। লস অ্যাঞ্জেলস এবং আবু ধাবি থেকে মেলবোর্নগামী দু’টি বিমানের তিনজন ক্রু মেম্বারের/ কর্মীর শরীরে করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ মেলায় মেলবোর্ন পৌঁছে প্রাথমিকভাবে আইসোলেশনে প্রবেশ করতে হয় ৪৭ জন প্রতিযোগীকে। এরপর গত তিনদিনে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের সঙ্গে যুক্ত আরও তিনজন আক্রান্ত হন করোনা ভাইরাসে। ৪৭ থেকে বেড়ে কড়া লকডাউনে প্রবেশ করা প্রতিযোগীর সংখ্যা হয় ৭২।

কিন্তু কড়া লকডাউনে ১৪ দিন থাকার বিষয়টি মেনে না নিতে পেরে সুর চড়িয়েছেন ভিক্টোরিয়া আজারেঙ্কা কিংবা নোভাক জকোভিচরা। কিন্তু লকডাউনের বিধিনিষেধে কোনওরকম প্রশ্রয় দেওয়ার পক্ষপাতী নয় অস্ট্রেলিয়ান ওপেন কর্তৃপক্ষ। উল্লেখ্য, কড়া লকডাউনে থাকা প্রতিযোগীদের আগামী ১৪ দিন হোটেলের বাইরে বেরোতে নিষেধ করা হয়েছে। তবে দিনে সর্বোচ্চ ৫ ঘন্টা অবধি কড়া শর্তবিধি মেনে তারা অনুশীলন করার অনুমতি পেয়েছেন বাকিরা।

পুরুষদের সিঙ্গলসে বিশ্বের ১৩ নম্বর রবার্তো বাতিস্তা আবার স্থানীয় টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেলবোর্নে কোয়ারেন্টাইন পর্বকে ‘ওয়াই-ফাই যুক্ত জেলখানা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। যদিও পরে ক্ষমা করে নেন তিনি। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে মরশুমের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম অস্ট্রেলিয়ান ওপেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।