স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: বন্ধ কারখানার দেওয়াল চাপা পড়ে মর্মান্তিক ভাবে মৃত্যু হল দুই যুবকের। সোমবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে, উত্তর চব্বিশ পরগণার জগদ্দলের আর্য্য সমাজ এলাকার ঘোষপাড়া রোড।

পুলিশ জানিয়েছে, ওই এলাকায় একটি বন্ধ পেপার মিল রয়েছে। ওই পেপার মিলের পাঁচিল ধসে চাপা পড়ে এদিন মৃত্যু হয় দুই যুবকের। এবং জখম হয়েছে আরও তিনজন। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। ঘটনাস্থলে জগদ্দল থানার পুলিশ এবং উদ্ধারকারী দল গিয়ে মৃত দেহ দুটি উদ্ধার করে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে ঘটনার তদন্ত শুরু করছে পুলিশ।

মৃত ওই দুই যুবকের নাম, নুর মহম্মদ (৩০) এবং অজিত কুমার সাউ (২৬)। পুলিশ জানান, সোমবার সকালে বন্ধ ওই পেপার মিল সংলগ্ন দেওয়ালের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন কয়েকজন গাড়ির চালক ও খালাসী। সেই সময় আচমকা বন্ধ পেপার মিলের উঁচু দেওয়াল ধসে তাদের গায়ে এসে পড়ে। ফলে দেওয়ালের নীচে চাপা পড়ে যান তাঁরা।

স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধার কাজে হাত লাগান। পরে ঘটনাস্থলে আসে দমকলের একটি ইঞ্জিন এবং জগদ্দল থানার পুলিশ। তারাও এসে উদ্ধার কাজ শুরু করে। পরে ক্রেন নিয়ে এসে পাঁচিলের ইঁট সরিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ওই পাঁচ জনকে। দ্রুত তাদের নিয়ে যাওয়া হয় ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে।

হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে, নুর মহম্মদ নামে স্থানীয় এক গাড়ি চালককে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। বাকিদের দ্রুত কল্যাণী জওহরলাল নেহরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে অজিত সাউ নামে এক খালাসির মৃত্যু হয়। বাকি জখমরা বর্তমানে ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছে। এদিকে এই ঘটনার জন্য বন্ধ ওই পেপার মিলের মালিককে দায়ি করেছেন স্থানীয় বিধায়ক পবন সিং।

তিনি বলেন, “বন্ধ ওই কারখানার দেওয়াল ভগ্ন দশায় দীর্ঘদিন পড়ে ছিল, তা পেপার মিলের মালিক কে নোটিশ জারি করে জানানো হয়েছিল। তা সত্বেও বিষয়টি তিনি কর্ণপাত করেননি। যার জেরে এই দুর্ঘটনা ঘটে গেল।” ঠিক কী ভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখতে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে জগদ্দল থানার পুলিশ।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ