চণ্ডীগড়: খুনের অভিযোগে সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হল দুই ভারতীয়কে। বুধবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকে এই খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। ওই দুই ভারতীয়ের গলা কেটে শাস্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

চণ্ডীগড়ে হোশিয়ারপুরের বাসিন্দা সতীন্দর কুমার ও লুধিয়ানার হরজিত সিংয়ের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ উঠেছিল। তাই তাঁদের শাস্তি দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি তাদের ওই শাস্তি দেওয়া হয়।

রিয়াধে ভারতীয় দূতাবাসকে এই ঘটনার কথা জানায়নি সৌদি প্রশাসন। এমনকি পরিবারের হাতে মৃতদেহও ফেরানো হয়নি। সৌদি আইনের জন্য আটকে দেওয়া হয় মৃতদেহ।

জানা গিয়েছে, কিছু লুটের টাকা নিয়ে ইমামুদ্দিন নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে ঝামেলা হয় হরজিত ও সতীন্দরের। তাদের হাতেই খুন হয় ইমামুদ্দিন। ঘটণার কয়েকদিন পরি দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের সঙ্গে খুনের যোগ প্রমাণিত হয়। তাদের দু’জনকে রিয়াধের জেলে রাখা হয়েছিল।

সতীন্দরের স্ত্রী সীমা রানি স্বামীর অবস্থার কথা জানতে চেয়ে বিদেশমন্ত্রকে আবেদন জানিয়েছিল। এরপরই বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকে খোঁজখবর নেওয়া হয়। গত সোমবার সীমা রানির কাছে একটি চিঠি এসেছে, তাতে জানানো হয়েছে যে ২০১৫-র ৯ ডিসেম্বর আরিফ ইমামুদ্দিনকে খুনের অভিযোগে হরজিত ও সতীন্দরকে গ্রেফতার করা হয়।

তাদের রিয়াধ জেলে আনার পর জেরায় তারা খুনের কথা স্বীকার করে। ২০১৭, ৩১ মে সেই মামলার শুনানি হয়। এরপরই দেওয়া হয় মৃত্যুদণ্ড। এরপর দূতাবাসকে না জানিয়েই মাথা কেটে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। সৌদি নিয়ম অনুযায়ী, তাদের দেহ দূতাবাসের হাতে তুলে দেওয়া হয়নি।