কলকাতা: কলকাতায় এক যুবকের শরীরে করোনা ভাইরাস মিলেছে দু’দিন আগেই। কলকাতা বিমানবন্দরে ছড়িয়েছে আতঙ্ক। আপাতত ওই যুবক বেলেঘাটা আইডি-তে চিকিৎসাধীন। তবে তাঁত সংস্পর্শ আসা সবাইকে রাখা হচ্ছে আইসোলেশনে।

এবার কলকাতা বিমানবন্দরের দুই ইমিগ্রেশন অফিসারকে ১২ দিনের কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হল। বৃহস্পতিবারই তাঁদের আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। এরা দু’জন ওই যুবকের সংস্পর্শে এসেছিলেন।

রবিবার লন্ডন থেকে ফেরেন ওই আমলার ছেলে। বিমানবন্দরে তাঁর শারীরিক পরীক্ষা করা হয়েছিল। কিন্তু সংক্রমণ ধরা পড়েনি। এর পর সোমবার দুপুরে এম আর বাঙুর হাসপাতালে যান ওই তরুণ। স্বাস্থ্য ভবনের সঙ্গে কথা বলে তৎক্ষণাৎ তাঁকে আইডিতে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক। সেই মতো আইডি-তে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা হাজির ছিলেন। কিন্তু বিকেল পর্যন্ত অপেক্ষা করেও তরুণের দেখা মেলেনি।

অভিযোগ, ওই তরুণ তখন বাড়ি ফিরে চলে যান। চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে ওইসময় ছেলেকে আইডি-তে ভরতি করতে রাজি হয়নি ওই পরিবার৷ ১৭ তারিখ, মঙ্গলবার সকালে ওই তরুণ বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে আসেন। ভর্তি হন। তারপরই নমুনা পরীক্ষার পর দেখা যায় ওই তরুণ নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। ওই তরুণই কলকাতায় প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী।

করোনা নিয়ে শুরু থেকেই সাবধানে থাকার বার্তা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এর মধ্যেই তাঁর সরকারের এক আমলা-পুত্রের শরীরে করোনা করোনাভাইরাস মিলেছে। অথচ সেই যুবক হাসপাতালের পরামর্শ উপেক্ষা করে দু-দিন ঘুরে বেরিয়েছেন৷ এমনকি মায়ের কর্মস্থল নবান্নেও গিয়েছেন৷

এই ঘটনায় তিনি যে তিনি ক্ষুব্ধ, সেটা পরিস্কার বুঝিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ তিনি বললেন, “পরিবারের এক জন প্রভাবশালী বলেই বিদেশ থেকে এসেও পার্কে, শপিং মলে ঘুরে বেড়ালেন— এটা আমি সমর্থন করি না।”

রাস্তাঘাটে অফিস ফেরত যাত্রীদের ভিড় কমাতে সরকারি কর্মীদের আগেভাগে ছুটি দেওয়ার ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ”অফিস হালকা করতে চাই। বিকেল ৪ পর্যন্ত রোস্টার করে দেওয়া হবে। ১০ থেকে সাড়ে ৫ টা নয়, ৪টের মধ্যে ছুটি করে দেব। যাতে একই সময়ে বাসে, রেলস্টেশনে ভিড় বেশি না হয়। বাড়ি কিন্তু অনেক নিরাপদ। আপনারা সকলে ভালো থাকলে রাজ্যটা ভালো থাকবে। এই দু’সপ্তাহ সতর্ক থাকতে হবে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.