নয়াদিল্লি: আতঙ্ক বাড়িয়ে শনিবার করোনা পজিটিভ ধরা পড়ল ভারতীয় হকির এক স্টাফ এবং এক কর্মীর শরীরে। ঘটনায় উদ্বিগ্ন ভারতের অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন দেশের সমস্ত স্পোর্টস গভর্নিং বডির কাছে তাদের কর্মীদের স্বাস্থ্যপরীক্ষার আর্জি জানাল।

উল্লেখ্য, শুক্রবার হকি ইন্ডিয়ার ২৯ জন কর্মীর শরীরে করোনা পরীক্ষা করা হয়। শনিবার সেই স্বাস্থ্যপরীক্ষার রিপোর্টে অ্যাকাউন্টস বিভাগের একজন কর্মী এবং একজন জুনিয়র ফিল্ড অফিসারের শরীরে করোনা পজিটিভ মেলায় নড়েচড়ে বসেছে ইন্ডিয়ান অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন। এক সাংবাদিক বিবৃতিতে আইওএ প্রেসিডেন্ট নরিন্দর বাত্রা জানিয়েছেন, ‘আমার একান্ত অনুরোধ কোনওরকম কালবিলম্ব না করে সকল স্পোর্টস গভর্নিং বডিগুলো যেন তাদের কর্মী এবং স্টাফদের স্বাস্থ্যপরীক্ষা শুরু করে।’

বাত্রা আরও বলেন সাপোর্ট স্টাফ, কর্মীদের স্বাস্থ্যপরীক্ষা অদূর ভবিষ্যতে অনুশীলনের নামার আগে অ্যাথলিটদের আরও আত্মবিশ্বাস জোগাবে। দুই কর্মীর শরীরে করোনা পজিটিভ ধরা পড়ায় হকি ইন্ডিয়া বাকি কর্মীদের আর ১৪ দিন ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ করার নির্দেশ দিয়েছে। দু’জন করোনা আক্রান্তের পাশাপাশি আর দুই কর্মীর শরীরে করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে কোনও সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারেননি চিকিৎসকেরা। তাদের পুনরায় রবিবার স্বাস্থ্যপরীক্ষা করা হবে। করোনা আক্রান্ত দুই কর্মীকে ১৪দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাড়িতেই তাদের মেডিক্যাল মনিটরিং চলবে।

অন্যদিকে ফরিদাবাদ ও নয়াদিল্লির আইওএ অফিসেও সম্প্রতি কর্মীদের শরীরে করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সেখানে এক আইওএ’র কর্মীর করোনা আক্রান্তের খবর জানিয়েছেন বাত্রা। উল্লেখ্য, বর্তমানে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন স্বয়ং ইন্ডিয়ান অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নরিন্দর বাত্রা। তাঁর বাবা করোনা আক্রান্ত হওয়ায় গাইডলাইন মেনে আপাতত কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন আইওএ সভাপতি। জুনের প্রথম সপ্তাহে বাত্রার শরীরে কোভিড১৯ পরীক্ষা হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.