স্টাফ রিপোর্টার, বর্ধমান: দলমার দাঁতালদের ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বর্ধমানের গলসী থানার সিমনোড় এলাকায়। দামোদর পেরিয়ে বুধবার দুটি পুরুষ দাঁতাল হাজির হয় সিমনোড় গ্রামে। সাত সকালেই হাতির খবর পেয়ে গোটা এলাকায় বাড়ে কৌতূহল ও ভয়।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হয় গলসী থানার পুলিশ ও পূর্ব বর্ধমান জেলা বন বিভাগের আধিকারিকরা। রাত পর্যন্ত পাওয়া খবরে হাতি দুটি কোনও ক্ষয়ক্ষতি করেনি।

সিমনোড় গ্রামের বাসিন্দা মোর্তজা মণ্ডল জানিয়েছেন, বুধবার ভোরে দুটি বড় দাঁতাল হাতি গ্রামে ঢুকে পড়ে। যেহেতু বৃষ্টি তথা জলের অভাবে এবছর ধান রোয়ার কাজ অনেকটাই দেরিতে শুরু হয়েছে। তাই ফসলের তেমন কোনও ক্ষতি এখনও হয়নি। গ্রামবাসীরা সবসময় নজরে রেখেছেন দুটি হাতিকে।

জেলা বন দফতরের এডিএফও সুজিত দাস জানিয়েছেন, দুই দাঁতাল বাঁকুড়ার বড়জোড়া জঙ্গল পেরিয়ে গলসীর সিমনোড় এলাকায় ঢুকে পড়েছে। হাতি তাড়াতে হুল্লা পার্টি এসেছে। পরিস্থিতি নজরে রাখতে ঘটনাস্থলে হাজির হন জেলা বনাধিকারিক দেবাশিস শর্মা।

বন বিভাগ জানিয়েছে হাতি দুটিকে দামোদর পার করিয়ে বাঁকুড়ীর বড়জোড়া জঙ্গলের দিকে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.