কলকাতা: একদিনেই শহরে করোনা আক্রান্ত দুই চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে৷ মৃত দুই চিকিৎসকই করোনার বিরুদ্ধে সামনের সারিতে থেকে লড়াই করেছিলেন৷

কিছুদিন করোনা আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন চিকিৎসক প্রবাল গায়েন৷ তিনি দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের AMO ছিলেন৷ করোনা আক্রান্ত হয়ে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন৷ সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।

করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত অপর চিকিৎসকের নাম অপূর্ব সাহা৷ তিনি এসএসকেএম হাসপাতালের সিটিভিএস বিভাগের প্রাক্তন আরএমও।

এর আগেও করোনা আক্রান্ত হয়ে শহরে আরও কয়েকজন চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে৷ এদের মধ্যে রয়েছেন চিকিৎসক সঞ্জয় সেন৷ ৬৫ বছরের এই চিকিৎসক করোনা আক্রান্ত হয়ে মেডিকা হাসপাতালের ভর্তি হয়েছিলেন৷ অবস্থার অবনতি হলে রাখা হয়েছিল ইকমো সাপোর্টে৷ কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি৷

জানা গিয়েছিল, স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার সেন সল্টলেক আমরি হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন৷ এছাড়া আলিপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন৷

তারও আগে রাজ্যে একদিনেই করোনা আক্রান্ত হয়ে ৩ জন চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছিল৷ মৃত চিকিৎসকরা ছিলেন, কোঠারি হাসপাতালের চিকিৎসক তাপস সিংহের,ব্যারাকপুরের চক্ষু চিকিৎসক বিশ্বজিৎ মন্ডল, শ্যামনগরের চিকিৎসক প্রদীপ ভট্টাচার্য৷

তবে প্রদীপবাবু কোনও হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, ব্যক্তিগত ভাবে রোগী দেখতেন৷ তার করোনা পরীক্ষায় রিপোর্ট পজিটিভ আসলে,তাকে মেডিকা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল৷ সেখানেই তার মৃত্যু হয়৷করোনায় কেড়ে নিয়েছে তরুণ চিকিৎসক নীতিশ কুমারকেও৷ মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল মাত্র ৩৬ বছর৷ রেখে গিয়েছেন স্ত্রী ও ২ বছরের ছেলেকে৷

আরএন টেগোর হাসপাতালের কার্ডিওভাস্কুলার সায়েন্স বিভাগের চিকিৎসক ছিলেন নীতিশ৷ করোনায় আক্রান্ত হয়ে ওই বেসরকারি হাসপাতালেই ভর্তি হন৷ অনেক চেস্টা করেও তার সহকর্মী চিকিৎসরা তাকে বাঁচাতে পারেননি৷

এছাড়া শহর কলকাতায় করোনায় এক চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছিল৷ একটি বেসরকারি হাসপাতালে ওই চিকিৎসকের মৃত্যু হয়৷ তারও আগে করোনা আক্রান্ত হয়ে এ রাজ্যের দুই নামী চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছিল৷ মৃত চিকিৎসকের নাম তরুনকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর৷ তিনি মেডিসিন বিশেষজ্ঞ হিসেবে একজন প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসক ছিলেন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।