স্টাফ রিপোর্টার, সিউড়ি: দুই যুবকের মৃতদেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল সিউড়ি শহরে৷ মৃতদেহগুলি উদ্ধার করে সিউড়ি থানার পুলিশ। দুটি দেহই গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। দুই পরিবারের দাবি যুবকদের পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। তবে ময়না তদন্তের আগে পুলিশ কিছু বলতে চায়নি। দেহ দুটি উদ্ধার করে সিউড়ি হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় সিউড়ি থানার পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সিউড়ি আনন্দপুরের রাস্তায় একটি ঝোঁপ থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় বাপী দাসের (৩৫)। বাপী দাসের বাড়ি কড়িধ্যা কালীপুরে। পেশায় রন্ধন কর্মী। অন্যদিকে সিউড়ি বেনীমাধব স্কুলের মাঠ থেকে ক্রান্তি খান (৩০) নামে এক যুবকের দেহ উদ্ধার হয়। সিউড়ি পুরাতন লাইনের বাসিন্দা তিনি৷ পেশায় টোটোচালক৷

বাপীর স্ত্রী বুলু দাস জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে কাজের নামে বাড়ি থেকে বের হয়। তারপর আর বাড়ি ফেরেনি তিনি। তারপর এদিন ঝোঁপ থেকে এলাকার মানুষ বাপীর দেহ উদ্ধার করে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি বাপীর মাথায় ইটের দাগ ছিল। এছাড়া শরীরে অজস্র আঘাতের চিহ্ন। তবে পুলিশের অনুমান শনিবারের আগেই মৃত্যু হয়েছে বাপী দাসের।

ক্রান্তি খানের পরিবারের দাবি গামছা গলায় দিয়ে ঝুলছিল ক্রান্তি৷ যে গামছা দিয়ে তিনি ঝুলছিল সেটি তাদের বাড়ির নয়। এমনকি বাড়ি থেকে গামছা নিয়ে এদিন সে বেড়ায়নি। প্রথমে পরিকল্পিতভাবে ক্রান্তিকে খুন করা হয়েছে৷ তারপর তাকে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। সিউড়ি থানার পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতেই তদন্ত শুরু হবে।