নয়াদিল্লি: আপাতত দেশে জরুরিকালীন ভিত্তিতে অনুমোদন পাওয়া করোনারদু’টি ভ্যাকসিনই সম্পূর্ণ নিরাপদ বলে দাবি করলেন ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া। সুরক্ষা সংক্রান্ত সবরকম বিধি মেনেই এই দুটি ভ্যাকসিন তৈরি হয়েছে বলে দাবি ডিজিসিআই-এর।

সেরামের তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ‘কোভিশিল্ড ও ভারত বায়োটেক ও আইসিএমআর-এর তৈরি ‘কোভ্যাক্সিন’ ১১০ শতাংশ নিরাপদ বলে জানিয়েছেন ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া ডা সোমানি।

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ‘কোভিশিল্ড’-এর পর ভারত বায়োটেকের তৈরি ‘কোভ্যাক্সিন’-কে নির্দিষ্ট ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই ভারতের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু।

এবার ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া ডা সোমানি দাবি করলেন, জরুরি ভিত্তিতে আনুমোদন দেওয়া করোনার দুটি ভ্যাকসিনই ১১০ শতাংশ নিরাপদ। তিনি বলেন, ‘‘ভ্যাকসিন নিয়ে নিশ্চিন্ত থাকুন। সুরক্ষা নিয়ে কোনও প্রশ্ন থাকলে আমরা অনুমোদন দিতাম না। তবে সব টিকারই ছোটো-খাটো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে। এক্ষেত্রেও তা হতে পারে। তবে টিকার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন নেই।’’

‘কোভ্যাক্সিন’ ও ‘কোভিশিল্ড’ ভ্যাকসিনের নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারে অনুমোদন দিয়েছেন ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া। ভারত বায়োটেকের ‘কোভ্যাক্সিন’ দেশের দ্বিতীয় ভ্যাকসিন, যা অনুমোদন পেল। এর আগে অক্সফোর্ড- অ্যাস্ট্রাজেনেকার ‘কোভিশিল্ড’কে অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

ডিসিজিআই জানিয়েছে, দুই থেকে আট ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে সংরক্ষণ করা যাবে ‘কোভিশিল্ড’ ও ‘কোভ্যাক্সিন’কে। আগামী ১০ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে মাস ভ্যাকসিনেশনের জন্য এই দুই ভ্যাকসিনকে ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

সম্পূর্ণ দেশীয় গবেষণায় তৈরি করোনার প্রতিষেধক কোভ্যাক্সিন। হায়দরাবাদের টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থা ‘ভারত বায়োটেক’ ও সরকারি প্রতিষ্ঠান ‘ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ’ -ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজি প্রতিষেধকটি তৈরি করেছে।

ইতিমধ্যেই অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ‘কোভিশিল্ড’ অন্য নামে ব্রিটেনে ছাড়পত্র পেয়েছে। তবে ভারত বায়েটেক ও আইসিএমআর-এর তৈরি ‘কোভ্যাক্সিন’-এর তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের রিপোর্ট এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। সেই রিপোর্ট ছাড়াই এই ভ্যাকসিনটির অনুমোদন নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।