কলকাতা: শহর থেকে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ মাদক উদ্ধার করল কলকাতা পুলিশের অ্যান্টি-এফআইসিএন টিম৷ গ্রেফতার হয়েছে ২ জন মাদক পাচারকারী৷ ধৃতরা মুর্শিদাবাদের টিংকু শেখ ও শেখ জামাল হোসেন৷

এসটিএফ সূত্রের খবর, হেস্টিংস থানার অধীনে বেকারি রোড অঞ্চলে ফাঁদ পেতে মাদক পাচারকারীদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় ১১ কেজি মাদক ট্যাবলেট। যার পোশাকি নাম ইয়াবা। বাজেয়াপ্ত হওয়া ওই মাদক ট্যাবলেটের বাজার মূল্য প্রায় দু’কোটি টাকা।

দু’দিন আগে গোপন সূত্রে খবর এসেছিল কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের দফতরে৷ বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ মাদকের হাতবদল হচ্ছে কলকাতায়। সেদিন দুপুর ১টা নাগাদ এসটিএফের অ্যান্টি-এফআইসিএন (Anti- Fake Indian Currency Note) টিম পৌঁছে গিয়েছিল হেস্টিংস থানার অন্তর্গত বেকারি রোডে। সাদা পোশাকেই নজর রাখছিলেন তদন্তকারী অফিসারেরা।

বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। দুপুর ১.৫০ নাগাদ দেখা মেলে দু’জনের। কাঁধে ব্যাগ। অ্যান্টি-এফআইসিএন টিমের অফিসারেরা প্রস্তুতই ছিলেন, সোর্স শনাক্ত করতেই চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলা হয় দু’জনকে। পালানোর চেস্টা করেও কেউ পালাতে পারেনি। গ্রেফতার করা হয় দু’জনকে৷

ধৃত দু’জনের ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ অ্যাম্ফেটামাইন গোত্রের নিষিদ্ধ মাদক। বাজারচলতি নাম ‘ইয়াবা’। প্রায় ১ লক্ষ ‘ইয়াবা’ ট্যাবলেট, মোট ওজন ১০ কেজি ৭৬০ গ্রাম। চোরাই মার্কেটে যার বাজারদর কমপক্ষে ২ কোটি টাকা।

টিংকু শেখ এবং শেখ জামাল হোসেন, দু’জনেই মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা। কুখ্যাত মাদক পাচারকারী হিসেবে পরিচিত৷ কলকাতাতেও মাদক পাচারের ব্যবসা ফেঁদে বসেছিল দু’জনে। গ্রেফতারের পর ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে,দেশি খদ্দেরের পাশাপাশি ভিনদেশি খদ্দেরও ছিল তাদের৷ এই দু’জন ছাড়া এই চক্রে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা,তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।