কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন, ২৫০ অ্যাকাউন্ট বন্ধ করল টুইটার।

নয়াদিল্লি: ৫৫০টিরও বেশি অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড করল টুইটার। সাধারণতন্ত্র দিবসের দিন দিল্লিতে ট্র্যাক্টর ব়্যালির সময় যে বিক্ষোভ ছড়িয়েছিল, তার জেরেই এই অ্যাকাউন্টগুলি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে টুইটারের তরফে জানানো হয়েছে। সংস্থার মুখপাত্র বলেছেন, টুইটার সেইসব অ্যাকাউন্টগুলিকেও খুঁজে বের করেছে যেগুলি বিক্ষোভের সময় মিডিয়া পলিসিকে ম্যানুপুলেট করে নিজেদের কাজে লাগিয়েছে।

টুইটারের মুখপাত্র বলেছেন, “যারা হিংসা ছড়াবে, মাধ্যমের অপব্যবহার করবে ও হুমকি দেবে তাদের বিরুদ্ধে আমরা কড়া পদক্ষেপ নেব।” টুইটারের নিয়ম ও ট্রেন্ড ভাঙছে আর ক্ষতি করতে পারে এমন দেখলে সেইসব অ্যাকাউন্টগুলিকে সাময়িকভাবে বন্ধ করার কথাও বলেছেন তিনি। মুখপাত্র আরও বলেন, “প্রযুক্তি ও মানবিক পর্যালোচনা ব্যবহার করে টুইটার ব্যাপকভাবে কাজ করেছে। টুইটারের নিয়ম ভাঙছে এমন শত শত অ্যাকাউন্ট এবং টুইটগুলির ক্ষেত্রেও পদক্ষেপ নিয়েছে সংস্থা। স্প্যাম এবং প্ল্যাটফর্ম ম্যানুপুলেশনের সঙ্গে জড়িত ৫৫০ টিরও বেশি অ্যাকাউন্ট স্থগিত করেছে টুইটার।”

এই মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্মটি জানিয়েছে যে যেসব টুইট কৃত্রিম এবং মিডিয়া নীতি লঙ্ঘনকারী বলে প্রমাণিত হয়েছে সেই সব টুইট করা অ্যাকাউন্টগুলিতে চিহ্নিত করা হয়েছে। টুইটার গোটা পরিস্থিতির দিকে তীব্রভাবে নজর রাখছে। যদি হিংসা ছড়ানো নিয়ে কোনও অভিযোগ আসে, সেগুলিও খতিয়ে দেখছে টুইটার।

২৬ জানুয়ারি কৃষকরা দিল্লিতে প্রবেশের জন্য ব্যারিকেড ভেঙেছিল। এদিন কেন্দ্রের তিনটি নতুন কৃষি আইনের বিরুদ্ধে কিসান ট্রাক্টর সমাবেশে রাজধানীর বেশ কয়েকটি জায়গায় ভাঙচুরও হয়। ঘটনায় বেশ কিছু সরকারি ও ব্যক্তিগত সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলে খবর। এখনও পর্যন্ত ২৫টি এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়েছে। প্রায় ৪০০ পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন সদস্য আহত হয়েছেন। এই সহিংসতার জেরে দিল্লি পুলিশ 200 জনকে আটক করেছে।

এই আবহেই আগামী ১ ফেব্রুয়ারি সংসদ অভিযান বাতিল ঘোষণা করেছেন স্বরাজ ইন্ডিয়ার প্রধান যোগেন্দ্র যাদব। ইতিমধ্যেই প্রজাতন্ত্র দিবসে লালকেল্লায় অশান্তি নিয়ে তিনি নিন্দা করেছেন। তাঁর কথায়, ‘‘মাথা হেঁট হয়ে যাচ্ছে। কিষাণ মোর্চার তরফে গোটা দেশের কাছে ক্ষমা চাইছি। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি সংসদ অভিযান বন্ধ রাখা হচ্ছে।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।