বেজিং : সত্যি কথা বলার দাম দিচ্ছেন তিনি। চিনা ভাইরোলজিস্ট লি মেং ইয়ান দাবি করেছিলেন চিনের উহানের ল্যাবেই তৈরি করা হয়েছে করোনা ভাইরাস। এই দাবির খেসারত দিতে হচ্ছে তাঁকে। মেং ইয়ানের ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দেওয়া হয়েছে বলে খবর মিলেছে।

ডেইলি মেলের এক প্রতিবেদন জানাচ্ছে মঙ্গলবার এই দাবি করার পর থেকেই একাধিক প্রতিকূলতার মুখে পড়তে হচ্ছে ইয়ানকে। এরপর তাঁর অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দেওয়া হয় বলে খবর। তাঁর অ্যাকাউন্ট খুললেই দেখা যাচ্ছে অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ডেড। ট্যুইটারের নিয়ম কানুন লঙ্ঘন করেছেন তিনি, এমন অভিযোগেই তাঁর অ্যাকাউন্ট ব্লক করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

তবে ট্যুইটারের পক্ষ থেকে সেভাবে কিছু জানানো হয়নি এই বিষয়ে। যদিও মে মাস থেকেই ট্যুইটার একটি নিয়ম জারি করেছিল। এই মাইক্রোব্লগিং সাইট থেকে জানানো হয়েছিল করোনা ভাইরাস নিয়ে কোনও বিতর্কিত দাবি বা তথ্য টুইটারে দিতে পারবেন না ব্যবহারকারীরা।

তবে এখনও জানা যায়নি ঠিক কোন ট্যুইট থেকে ইয়ান ওই মাইক্রোব্লগিং সংস্থার নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন বা কোন ট্যুইট ডিলিট করা হবে কিনা, সে বিষয়েও এখনও জানা যায়নি। উল্লেখ্য লি মেং ইয়ান নামে ওই গবেষকের রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে একটি সায়েন্টিফিক জার্নালে।

‘জেনোডো’ নামে এক ওয়েবসাইটে সেই রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। ইতিমধ্যেই লক্ষাধিক মানুষ সেই রিপোর্ট দেখেছেন। তিনি দেখিয়েছেন প্রকৃতির তৈরি ভাইরাসের সঙ্গে করোনার কী তফাৎ। এমনকি মাত্র ৬ মাসে ওই ভাইরাস তৈরি করা সম্ভব বলেও দাবি করেছেন তিনি।

লি মেং ইয়ান আগেই বলেন, বেজিং করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার অনেক আগেই থেকেই সবকিছু জানত। এর আগে করোনা ভাইরাস নিয়ে মুখ খোলায় প্রাণের ভয়ে হংকং পালিয়ে যেতে হয় ওই ভাইরোলজিস্টকে। তাঁর দাবি ভাইরাস প্রকৃতিতে তৈরি হয়নি। তাঁর মতে উহানের ল্যাব থেকেই এসেছে ভাইরাস।

তিনি আরও বলেন, যিনি যে প্রমাণ দেবেন, তাতে ভাইরোলজির কোনও জ্ঞান না থাকলেও বোঝা সম্ভব হবে। তাঁর সব তথ্য মুছে ফেলেছে চিনের সরকার। এমনটাই অভিযোগ হংকং ইউনিভার্সিটির ওই গবেষকের।

তিনি সেইসব গবেষকদের মধ্যে অন্যতম যিনি প্রথম দিকে করোনা ভাইরাসের সন্ধান পান ও গবেষণা করেন। তাঁর নামে মিথ্যা রটানো হচ্ছে বলে চিনের সরকারের বিরুদ্ধে দাবি তাঁর। দাবি করা হয়েছে, চিনের ইউহান ল্যাব থেকে ছড়িয়ে পড়ে এই ঘাতক ভাইরাস। আমেরিকার সংবাদমাধ্যমের তরফে সামনে আনা হয় এই চাঞ্চল্যকর তথ্য।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।