দুবাই: দল হারলেও গত ম্যাচে শেষদিকে তাঁর ব্যাটে উঠেছিল ক্ষণিকের ঝড়। বিশাল ছক্কায় বল পাঠিয়েছিলেন শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামের বাইরে। সেই বল কুড়িয়েও নিয়ে গিয়েছিলেন এক পথচারী। আর শুক্রবার দুবাই ক্রিকেট স্টেডিয়ামে স্টাম্পের পিছনে দস্তানা হাতে মোহিত করলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি।

শ্রেয়স আইয়ারকে শরীর শূন্যে ছুঁড়ে যেভাবে দস্তানাবন্দি করলেন তা দেখে টুইটার মাতল ধোনি বন্দনায়। উইকেটের পিছনে এভাবে শরীর হাওয়ায় ভাসিয়ে আগেও ক্যাচ তালুবন্দি করেছেন ধোনি। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়া মাহি এখনও যে আগের মতোই ফিট এদিনের ক্যাচ যেন তারই প্রমাণ। এদিন টস জিতে দুবাই ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দিল্লি ক্যাপিটালসকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান চেন্নাই অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। দিল্লি ইনিংসের ত্রয়োদশ ওভারে পীষূষ চাওলার বলে উইকেটের পিছনে প্রথমে পৃথ্বী শ’কে স্টাম্প করেন মাহি।

এরপর ১৯তম ওভারে স্যাম কারেনের ডেলিভারি শ্রেয়স আইয়ারের ব্যাট ছুঁয়ে উইকেটের পিছনে যেতেই তা লাফিয়ে তালুবন্দি করেন মাহি। তাঁর অবস্থান থেকে কয়েক হাত দূরে লাফিয়ে অবলীলায় দু’হাতে ক্যাচটি তালুবন্দি করেন মাহি। যা দেখে নেটিজেনরা বলছেন ৩৯-এ এসেও মাহির শরীরে রিফ্লেক্স এতোটুকু কমেনি।

টুইটার মেতে ওঠে ধোনি বন্দনায়। এক অনুরাগী লেখেন, ‘এটা কী কোনও পাখি? নাকি উড়োজাহাজ? না ইনি মহেন্দ্র সিং ধোনি। শরীর ডানদিকে শূন্যে ছুঁড়ে অনবদ্য ক্যাচ।’ আরেক অনুরাগী লেখেন, ‘৩৯ বছরের সুপারম্যান। গ্রেটেস্ট অফ অল-টাইম।’ আরেকজন অনুরাগী ২০১৯ বিশ্বকাপে উইকেটের পিছনে ধোনির এমনই এক শরীর শূন্যে ছুঁড়ে ক্যাচ তালুবন্দি করার ছবি পোস্ট করে লেখেন, ‘জার্সিটাই কেবল বদলায়, ধোনি ধোনিই থাকেন।’ সবমিলিয়ে ধোনিতে মজে নেটদুনিয়া।

এদিন প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৭৫ রান তোলে দিল্লি ক্যাপিটালস। সর্বোচ্চ ৪৩ বলে ৬৪ রান আসে পৃথ্বী শ’র ব্যাট থেকে। তাঁর ইনিংস সাজানো ৯টি চার এবং ১টি ছয়ে। ধাওয়ান করেন ৩৫ রান। পন্ত এবং অধিনায়কের ব্যাট থেকে আসে যথাক্রমে ৩৭ এবং ২৬ রান।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।