বাগদাদ: ভয়াবহ জোড়া বিস্ফোরণ। ব্যস্ত বাজারে আত্মঘাতী হামলায় মৃত্যু হয়েছে অন্তত ২৮ জনের। আহত ৭৩।

বাগদাদ এখন চরম অর্থনৈতিক দুরবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি ভোট এগিয়ে আসায় তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এরই মধ্যে এই বিস্ফোরণ।

এদিন আচমকা বিস্ফোরণের পর জনবহু এলাকা ভেসে যায় রক্তে। প্রচণ্ড শব্দ। আর তারপরই চারপাশে ছড়িয়ে থাকা জামাকাপড় আর জুতো, এই দৃশ্যই কার্যত চোখে পড়ে। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনার দায় স্বীকার করেনি কোনও সংগঠন।

ইরাকের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৭৩ জন আহত, তাদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, এবছর বাগদাদে বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলিতে জঙ্গিদের নজর রয়েছে। আগামী অক্টোবরেই ইরাকে নির্বাচন রয়েছে। তার আগে রাজধানীতে বিস্ফোরণ, সন্ত্রাসী কার্যকলাপের মাধ্যমে অশান্ত পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা চলছে। গত কয়েক মাসে ইরাকে ইসলামিক স্টেট এবং বিভিন্ন মিলিশিয়া গোষ্ঠীর জঙ্গি হামলা হয়েছে। এই জোড়া বিস্ফোরণও ইসলামিক স্টেটের কাজ বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে, বাগদাদে মার্কিন দূতাবাস-সহ কূটনৈতিক কেন্দ্রে হামলা চালাতে পারে জঙ্গিরা। গ্রিন জোনে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে তাভারান স্কোয়্যারেই আত্মঘাতী বিস্ফোরণে ৩০ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন। ২০০৩ সালে আমেরিকার নেতৃত্বে ইরাক আক্রমণের পর থেকে একাধিক আত্মঘাতী বিস্ফোরণের সাক্ষী থেকেছে বাগদাদ। পরে ইসলামিক স্টেটস ইরাকে হামলা চালানোর সময়ও সন্ত্রাসবাদীদের নিশানায় পড়ে রাজধানী শহর। তবে ২০১৭ সালে আইএস-এর মুঠো শিথিল হলে আত্মঘাতী জঙ্গি হামলার হার কমতে শুরু করে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।