মুম্বই: সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে তোলপাড় চলছে অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত ও অভিনেতা গায়ক দিলজিত দোসাঞ্জ এর টুইট ঘিরে। তুমুল বাকবিতণ্ডায় জড়িয়েছেন দুই তারকা। সম্প্রতি একটি টুইটে দিলজিৎকে করণ জোহরের পোষ্য বলে আক্রমণ করেন কঙ্গনা। আর নিজেকে সিংহী বলে দাবি করেন তিনি।

কঙ্গনা তার টুইটারে লেখেন, “ও করণ জোহরের পোষ্য, শাহীনবাগে যেই দাদিকে নাগরিকত্বের জন্য প্রতিবাদ করতে দেখা গিয়েছিল তাকেই আবার কৃষকদের প্রতিবাদের মাঝে দেখা যাচ্ছে। মাহিন্দার কৌর কে তা আমি জানিও না। এ আবার কি নতুন নাটক শুরু হলো? না না এখনই এসব বন্ধ করুন।”

এরপরে আরেকটি টুইটে কঙ্গনা লেখেন, “শোন শয়তান, আমার নিঃশব্দ তাকে দুর্বলতা মনে করিস না। আমি দেখতে পাচ্ছি কিভাবে নিরীহ মানুষদের জোর করে মিথ্যে বলে তাদের ব্যবহার করা হচ্ছে। শাহীনবাগ এর মতই এই প্রতিবাদের পিছনের আসল সত্যিটা ও তাড়াতাড়ি সামনে আসবে। তারপরে আমি এমন একটা বক্তব্য রাখবো যে তোর মুখ কালো হয়ে যাবে।”

পোষ্য বলার উত্তরে দিলজিত পাল্টা জবাব দেন কঙ্গনাকে। তিনি লেখেন, “তুই যাদের যাদের সঙ্গে কাজ করেছিস তাদের সবার কি তুই পোষ্য? তাহলে তোর প্রভুদের তালিকা অনেক বড়। এটা বলিউড নয়, পঞ্জাব। মিথ্যে কথা বলে মগজ ধোলাই করার বিষয়টা তুই ভালো জানবি।”

এর সঙ্গে দিলজিত সাফ জানিয়ে দেন, তিনি বলিউডের কেউ নন। তিনি এখনও পাঞ্জাবের মানুষ। আর তাই পাল্টা জবাব তিনি দেবেন। বলিউডে তিনি স্ট্রাগল করছেন না। প্রযোজকরা তার কাছে এসে কাজের প্রস্তাব দেন বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন দিলজিৎ।

এখানেই থামেনি টুইট যুদ্ধ। কঙ্গনা পাল্টা দিলজিৎ কে আক্রমণ করে লেখেন, “তুই জুতো চাটিস। তুই রোজ যাদের সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করিস আমি তাদের রোজ পরীক্ষা নিই। আমি কঙ্গনা রানাউত। তোর মত একজন জুতো চাটা মানুষ নই যে মিথ্যে কথা বলে। আমি শুধু শাহীনবাগ নিয়ে কথা বলেছি। অন্য কিছু যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে আমি ক্ষমা চেয়ে নেব।”

দিলজিত আবার লেখেন, “কারুর মা বা বোনের সঙ্গে কিভাবে কথা বলতে হয় সেটা তুই জানিস না। তুই নিজে একজন মহিলা হয়ে অন্য আর একজন মহিলাকে বলছিস যে ১০০ টাকার জন্য তিনি কাজ করেন। পঞ্জাবে আমাদের মায়েরা আমাদের কাছে দেবীর মতো।”

এই টুইট যুদ্ধ অনবরত চলতে থাকে দুজনের মধ্যে। কঙ্গনা এর আগেও বহু মানুষকে বিভিন্নভাবে আক্রমণ করেছেন। কিন্তু এভাবে পাল্টা জবাব তাকে কাউকে দিতে দেখা যায়নি। তবে কোথাকার জল কোথায় গড়ায় তা সময় বলতে পারবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।