কলকাতা : রাজ্যের আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ। পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করে এই ট্যুইট করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। প্রসঙ্গত ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্রকে সিবিআই গ্রেফতার করার পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যপালের এই ট্যুইট।

রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর সোমবার সিবিআই-র রাজ্যের মন্ত্রী, বিধায়কদের গ্রেফতারির পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে একাধিক ট্যুইট করেছেন। আর সেই ট্যুইটে তিনি স্পষ্ট লিখেছেন রাজ্যের আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। সম্পূর্ণ নৈরাজ্য চলছে। রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশ কোনও উপযুক্ত ব্যবস্থা নিচ্ছে না। পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক। এই ট্যুইট তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করেছেন। তিনি তাঁর ট্যুইটে লিখেছেন, এই অস্থির পরিস্থিতিকে কঠোর হাতে নিয়ন্ত্রণ করা দরকার।
এর পরের ট্যুইটে রাজ্যপাল লেখেন, সম্পূর্ণ বেআইনি পরিস্থিতি ও নৈরাজ্য চলছে। পুলিশ ও প্রশাসন নীরব রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীকে ট্যাগ করে এই ট্যুইটে রাজ্যপাল লেখেন আমি আশা করবো প্রশাসন রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থি পুনুরুদ্ধারে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে। এই পরিস্থিতি আইনশৃংখলা পরিস্থিতির অবনতি ও সাংবিধানিক বিপর্যয়ের ঘটনা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।এখন সময় হয়েছে মুহূর্তে মুহূর্তে সৃষ্টি হওয়া বিস্ফোরক পরিস্থিতিকে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা।
এর পর সিবিআই অফিসার সামনে তৃণমূল সমর্থকদের বিক্ষোভের সমালোচনা করেন রাজ্যপাল। তিনি লেখেন, এই পরিস্থিতিতে রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের দর্শকের ভূমিকা উদ্বেগজনক। রাজ্য প্রশাসনকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রসঙ্গত রাজ্যপাল নারোদ মামলায় চার্জশিটের অনুমতি দেন। আর এই অনুমতি তিন দেন রাজ্যের মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণের ঠিক আগের দিন। তৃণমূলের তরফে সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যপালের এই ট্যুইট প্রসঙ্গে রাজ্যপালকে “রক্তচোষা” বলে সমালোচনা করেন। কুণাল ঘোষ বলেন, “নির্বাচনে পরাজিত হয়ে ওই বৃদ্ধ মানুষটি এখন রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার রাস্তা তৈরী করছেন।”

তবে তৃণমূলের তরফে কুণাল ঘোষ বাড়ার তৃণমূল কর্মীদের শান্ত টাকার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছেন। প্রসঙ্গত তৃণমূল সমর্থকরা নিজাম প্যালেস ও রাজভবনের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন চালাচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.