কলকাতা: মেমনের ফাঁসি নিয়ে বিতর্কে জড়ালেন ত্রিপুরার রাজ্যপাল তথাগত রায়। শুক্রবার সকাল থেকে বেশ কয়েকটি বিতর্কিত ট্যুইট করেন তিনি। সেখানে তিনি লেখেন, ইয়াকুব মেমনের শেষযাত্রায় যাঁরা অংশ নিয়েছেন, তাঁদের ওপর নজর রাখুক গোয়েন্দারা। এদের অনেকেই সম্ভাব্য জঙ্গি। আরও লেখেন, ''আমার সাংবিধানিক দায়িত্ব জনস্বার্থে এই বিষয়টি প্রকাশ্যে আনা। এতে আমার রাজ্যপাল পদের এক্তিয়ার লঙ্ঘিত হয় না।''

 


তথাগতর এই মন্তব্যের পরই বিভিন্ন মহল থেকে সমালোচনার ঝড় ওঠে। লোকসভার প্রাক্তন স্পিকার সোমনাথ চট্টোপাধ্যায় এই মন্তব্যের নিন্দা করে বলেন, বিতর্কিত মন্তব্য প্রকাশ্যে করার আগে তাঁর দুবার ভাবা উচিৎ ছিল। সরকারকে পরামর্শ দেওয়ার জন্য টুইটারে এধরণের মন্তব্য তাঁর কাছ থেকে গ্রহণযোগ্য নয় বলে উল্লেখ করেন তিনি। তৃণমূল নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেছেন, তিনি যে পদে রয়েছেন সেখানে দাঁড়িয়ে এধরণের মন্তব্য কাম্য নয়। তাঁর এখনই নিজের পদ থেকে সরে দাঁড়ানো উচিৎ।

 

এই সংক্রান্ত আরও খবর:

ফের বিস্ফোরক অভিজিৎ, ইস্যু মেমন

ভীষণ ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন মেমন

ফের রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ ইয়াকুব মেমন

মেমনের ক্ষমাপ্রার্থনার আরজিতে সই নেতা থেকে অভিনেতার

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।