কলকাতা: ওয়েব সিরিজে অভিনয়ের সুযোগ দেওয়ার নাম করে কথাবার্তা শুরু। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই বাংলা টেলি অভিনেত্রী আয়েষা ভট্টাচার্য বুঝতে পারেন উল্টোদিকের মানুষটির উদ্দেশ্য মোটেই সুবিধার নয়। ওয়েবসিরিজের কাজ দিয়ে কথা শুরু হলেও সিধু বিশ্বনাথ নামের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে একের পরে এক কুপ্রস্তাব পেতে থাকেন। অবশেষে সেই কথোপকথনের স্ক্রিনশট আয়েষা ফেসবুকে প্রকাশ করেন।

কলকাতা ২৪x৭ থেকে যোগাযোগ করা হলে, আয়েষা জানান, ইনস্টাগ্রামে হঠাৎই লোকটি ওয়েব সিরিজে কাজ করার প্রস্তাব দেন। সেখান থেকে কথা শুরু হয়। তার পরে আমার থেকে তিনি পোর্টফোলিও চান। আমি আমার কিছু ছবি পাঠাই। তার পরে তিনি ওয়েব সিরিজের গল্প, লোকেশন ইত্যাদি নিয়ে কথা বলা শুরু করেন।

এপর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। কিছুক্ষণের মধ্যেই আয়েষাকে সেই ব্যক্তি কুপ্রস্তাব দিতে শুরু করেন। আয়েষা জানিয়েছেন, হঠাৎ উনি জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি বোল্ড সিনে অভিনয় করতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করবে? আমি না বলে দিই।

এর পরেও সিধু বিশ্বনাথ নামের সেই ব্যক্তি আয়েষাকে বিকিনি ও স্বল্প পোশাকে অভিনয়ের প্রস্তাব দিতে থাকেন। তবে এখানেই শেষ নয়। এর পরে সেই ব্যক্তি সরাসরি আয়েষাকে ‘কম্প্রোমাইজ’ করার প্রস্তাব দেন। এমনকী, কলকাতার এক বিলাসবহুল পাঁচতারা রেস্তোরাঁয় আয়েষাকে আসার জন্যও বলেন তিনি। বাধ্য হয়েই সঙ্গে সঙ্গে লোকটিকে ইনস্টাগ্রামে ব্লক করে দেন অভিনেত্রী।

তবে ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টটির নাম সিধু বিশ্বনাথ হলেও তার সত্যতা কতটা তা স্পষ্ট নয়। কিন্তু সেই অ্যাকাউন্টের ব্যবহারকারীর উদ্দেশ্য যে মোটেই সুবিধার নয় তা পরিষ্কার।

আয়েষা জানান, এর আগেও ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে কাজ নিয়ে কথা বলেছি। ই-মেলের মাধ্যমেও বহু কাজ পাকাপাকি করা হয়েঠে। কিন্তু এমন খারাপ অভিজ্ঞতা এই প্রথম।

প্রসঙ্গত, আয়েষা এই মুহূর্তে মহাপীঠ তারাপীঠ ধারাবাহিকে অভিনয় করছেন। এছাড়া, সম্প্রতি চেস নামের একটি হিন্দি ছবিতে আইটেম সং-এ পারফর্ম করেছেন তিনি। ইউটিউবে নিজস্ব চ্যানেলেও আয়েষা নিয়মিত নিজের নাচের ভিডিও পোস্ট করেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।